॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
মোটরসাইকেলের ওপর সরকারের সাম্প্রতিক বাড়তি কর আরোপের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে রাঙ্গামাটিতে বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে সাধারণ বাইকাররা।
রোববার (১৭ মে) দুপুরে রাঙ্গামাটি শহরের প্রাণকেন্দ্র বনরূপা এলাকায় ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
‘আয়কর সীমার নিচে আয়, বাড়তি করের বোঝা নয়’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে রাঙ্গামাটির সর্বস্তরের সাধারণ মোটরসাইকেল চালক ও রাইডাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, রাঙ্গামাটির স্থানীয় বাইকার প্রতিনিধি নূর জাহেদ হোসেন, রঞ্জন তঞ্চঙ্গ্যা ও মো: আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে মোটরসাইকেল কোনো বিলাসিতার বস্তু নয়, বরং এটি সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষের যাতায়াতের একটি জরুরি ও নিত্য ব্যবহার্য বাহন। পাহাড়ি জেলা রাঙ্গামাটির ভৌগোলিক কারণে গণপরিবহনের সীমাবদ্ধতা থাকায় স্থানীয়দের জন্য মোটরসাইকেল অত্যন্ত অপরিহার্য। এছাড়া, জেলার বহু বেকার যুবক রাইড শেয়ারিং বা মোটরসাইকেল চালিয়ে তাদের জীবিকা নির্বাহ করেন। এই অবস্থায় নতুন করে বাড়তি করের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া তাদের ওপর ‘খড়গ’ হিসেবে কাজ করবে এবং অনেকের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাবে।
বক্তারা প্রতিবেশী দেশের সাথে বাজারমূল্যের তুলনা করে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশে যে মোটরসাইকেল মাত্র ৬০ হাজার টাকায় পাওয়া যায়, বাংলাদেশে অতিরিক্ত ভ্যাটের কারণে সেই একই বাইক দ্বিগুণ বা তার চেয়েও বেশি দামে কিনতে হয়। এরপরও একজন বাইকারকে গাড়ি কেনার সময় একবার মোটা অঙ্কের ট্যাক্স টোকেন দিতে হয় এবং প্রতি দুই বছর পর পর তা নবায়নের জন্য আবারও কর গুনতে হয়। এই দ্বৈত কর ব্যবস্থার পর নতুন করে বাড়তি করের বোঝা সাধারণ বাইকাররা কোনোভাবেই মেনে নেবে না।
মানববন্ধন থেকে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, অনতিবিলম্বে এই গণবিরোধী ও বাড়তি করের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে। যদি দ্রুত এই কর প্রত্যাহার করা না হয়, তবে রাঙ্গামাটিসহ সারা দেশের বাইকারদের সাথে নিয়ে রাজপথে আরও কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে মোটরসাইকেল কোনো বিলাসিতার বস্তু নয়, বরং এটি সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষের যাতায়াতের একটি জরুরি ও নিত্য ব্যবহার্য বাহন। পাহাড়ি জেলা রাঙ্গামাটির ভৌগোলিক কারণে গণপরিবহনের সীমাবদ্ধতা থাকায় স্থানীয়দের জন্য মোটরসাইকেল অত্যন্ত অপরিহার্য। এছাড়া, জেলার বহু বেকার যুবক রাইড শেয়ারিং বা মোটরসাইকেল চালিয়ে তাদের জীবিকা নির্বাহ করেন। এই অবস্থায় নতুন করে বাড়তি করের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া তাদের ওপর ‘খড়গ’ হিসেবে কাজ করবে এবং অনেকের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাবে।
মানববন্ধন থেকে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, অনতিবিলম্বে এই গণবিরোধী ও বাড়তি করের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে। যদি দ্রুত এই কর প্রত্যাহার করা না হয়, তবে রাঙ্গামাটিসহ সারা দেশের বাইকারদের সাথে নিয়ে রাজপথে আরও কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে রাজস্ব আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে মোটরসাইকেলের ওপর নতুন করে বাড়তি কর ও নিবন্ধন ফি বৃদ্ধি করা হয়েছে। একই সাথে সিসি (ঈঈ) বা ইঞ্জিনের ক্ষমতাভেদে সম্পূরক শুল্ক ও অগ্রিম করের (অওঞ) হার পুনর্বিন্যাস করায় দেশের বাজারে প্রতিটি মোটরসাইকেলের দাম এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
