রাঙ্গামাটিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেল ৩৮ জন যাত্রী

68

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
রাঙ্গামাটিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেল ৩৮ জনযাত্রী। রবিবার (১৭ মে) দুপুরে রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের সাপছড়ি এলাকায় পাহাড়ীকা যাত্রীবাহী বাস উল্টে গিয়ে এই দুঘটনা ঘটে। এ সময় বাসে থাকা প্রায় ১২ জনযাত্রী কমবেশী আহত হয়। আহতদের মধ্যে ৪ জনতাদের বিভিন্ন অংশে ছিড়ে গেছে বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনার সাথে সাথে ড্রাইভার ও হেলপার পালিয়ে গেছে বলে জানান যাত্রীরা। দুর্ঘটনায় পতিত এলাকায় সড়ক ও জনপদের ওয়াল না থাকলে প্রায় ৩শ ফুটখাদে পড়ে যেত গাড়িটি তবে রাঙ্গামাটিতে শোকের মাতাব বয়ে যেত বলে জানান স্থানীয়রা।
বাসে থাকা যাত্রীরা জানান, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী বাস রাঙ্গামাটি চট্টগ্রাম শহরের সাপছড়ি এলাকায় এসে পৌছালে সড়কের নিচের দিকে নামতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ওয়ালের ধাক্কা খেয়ে রাস্তার সাথে উল্টে যায়। এ সময় যাত্রীরা হুরোহুরি করে নিচে নেমে আসে। এ সময় বাসে থাকা যাত্রীদের মধ্যে ৪ জনের বিভিন্ন অংশে ছিড়ে গেলেও আরো ৮ জন বিভিন্ন স্থান ব্যথা পায়।
যাত্রীরা জানান, বাসের ড্রাইভার দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইলে কথা বলতে বলতে গাড়ী চালাচ্ছিল। যাত্রীরা ড্রাইভারকে বললেও তিনি কথা থামায়নি। তখন একটু একটু বৃষ্টি হচ্ছিল। আমরা সাপছড়ি প্রবেশ মুখ থেকে বাসটি চলে এসে টানিং এ নামার সময় গাড়ীটি নিয়ন্ত্রণ হানিয়ে ফেলে পাশে ওয়াল না থাকলে এতোক্ষণে আমরা সবায় লাশ হয়ে যেতাম।
যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, গাড়ীটি দীর্ঘদিনের পুরনো ঢাকা থেকে রিজেক্ট হওয়া হানিফ, সৌদিয়া, রিলাক্স গাড়ী গুলো কম দামে কিনে এই পথে চালায় মালিকরা। পথের মধ্যে ও বেশ কয়েকবার সমস্যা দেখা দেয়। এমন পুরোনো গাড়ীর কারণে রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কে চলাচল খুবই খুঁজিপুর্ণ অবস্থায় আছে যাত্রীরা।
রাঙ্গামাটি মানিকছড়ির ফাঁড়ির পুলিশ মোঃ জামাল জানায়, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে আহতদের রাঙ্গামাটি শহরের দিকে পাঠিয়েছি। তবে ১২ জনের মতো আহত হলেও তেমন বড় ধরনের কোন আহত হয়নি। শুধুমাত্র ৪ জনযাত্রীর বিভিন্ন অংশে ছিড়ে গেছে। তারা স্থাণীয় দোকানে গিয়ে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ী ফিরে গেছে।
এদিকে রাঙ্গামাটি সদর হাসপাতালে যোগাযোগ করা হলে রাঙ্গামাটি হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডাঃ শওকত আকবর বলেন, যাত্রীবাহী বাস এক্সিডেন্ট হয়েছে শুনেছি। তবে কোন রোগী হাসপাতালে আসেনি।