॥ মো: সোহেল রানা, দীঘিনালা ॥
খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় প্রকৃতিনির্ভর সমাধানে জলবায়ু সহনশীলতা আনতে নতুন প্রকল্প অবহিতকরন বিষয়ক কর্মশালা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় দীঘিনালা উপজেলা সেমিনার কক্ষে এনজিও তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থার বাস্তাবায়নে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থিতিস্থাপকতা সক্ষম করার জন্য জিইএসআই প্রতিক্রিয়াশীল প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান প্রচার করা’ প্রকৃতিনির্ভর সমাধান প্রকল্পের মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল ও লিঙ্গ-সামাজিক অন্তর্ভুক্তিমূলক কৃষির প্রচলন করা হবে। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থিতিস্থাপকতা সক্ষম করার জন্য জিইএসআই প্রতিক্রিয়াশীল প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান প্রচার করা’ নামের একটি নতুন প্রকল্প খাগড়াছড়ি দিঘীনালা উপজেলায় শুরু হতে যাচ্ছে। ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলমান থাকবে এই প্রকল্প, যা পরিচালনা করছে হেলভেটাস সুইস আন্তঃসহযোগিতা এবং অর্থায়নে করছে আইসিআইএমওডি গেস হেলভেটাস।
তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক রিপন চাকমার সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেব বক্তব্য রাখেন, দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ ইনামুল হাছান।
প্রোগ্রাম ম্যানেজার সুইচিং অং মারমা‘র সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, দীঘিনালা কষি কর্মকর্তা মো: শাহাদাত হোসেন, দীঘিনালা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী কর্মকর্তা মো: জাহাঙ্গীর আলম সরকার, মৎস্য অফিসার অবর্না চাকমা, দীঘিনালা প্রেসক্লাব সাবেক সভাপতি মো: সোহেল রানা, দীঘিনালা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান চন্দ্র রঞ্জর চাকমা ও চেয়ারম্যান মিনা চাকমা প্রমূখ।
প্রকল্পের মূল লক্ষ্য নিয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন, ফিল্ট কো-অঢিনেটর দীপ্তিময় চাকমা। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো, অ্যাগ্রোফরেস্ট্রি বা বনভিত্তিক কৃষিকে প্রকৃতিনির্ভর সমাধান হিসেবে প্রতিষ্ঠা ও বিস্তৃত করা। এর মাধ্যমে স্থানীয় জনগণ জলবায়ু সহনশীল এবং লিঙ্গ-সামাজিক অন্তর্ভুক্তিমূলক কৃষি চর্চা করতে সক্ষম হবে। প্রকল্পটি স্থানীয় জনগণের জীবিকা উন্নয়ন এবং আয় বৃদ্ধি করতে সহায়ক হবে।
প্রকল্পের আওতায় সরকারি প্রতিষ্ঠান, থিংক ট্যাংক এবং অন্যান্য মূল অংশীদারদের সক্ষমতা বাড়নো হবে, যাতে তারা লিঙ্গ-সামাজিক অন্তর্ভুক্তিমূলক (জিইএসআই প্রতিক্রিয়াশীল) প্রকৃতিনির্ভর সমাধান ডিজাইন, সমন্বয় ও বাস্তবায় করতে পারে। দীঘিনালায় প্রকৃতিনির্ভর সমাধান প্রকল্পের মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল ও লিঙ্গ-সামাজিক অন্তর্ভুক্তিমূলক কৃষির প্রচলন করা হবে।