চট্টগ্রাম-রাঙ্গমাটি সড়ক মালিক-শ্রমিকের কাছে জিম্মি

514

রাঙ্গামাটিঃ-চট্টগ্রাম-রাঙ্গমাটি সড়ক মালিক-শ্রমিকের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। রাঙ্গমাটি-চট্টগ্রাম মোটর মালিক সমিতির রেজিঃ বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের ছাড়পত্র থাকলেও চট্টগ্রাম-রাঙ্গমাটি মোটর মালিক সমিতি রেজিঃ ও বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের কোন অনুমোদনপত্র দেখাইতে পারেনি। যাত্রী সেবার মান উন্নয়ন না করে নিজেদের ইচ্ছামত বাসগুলো রোডেশন দিয়ে আসছে।
বুধবার (৩০ অক্টোবর) রাঙ্গমাটি-চট্টগ্রাম মোটর মালিক সমিতির কার্য্যালয়ে সকল বাসের সমানভাবে রোডেশন সর্ম্পকে শ্রমিক নেতা আলম বলেন, সম্রাট পরিবহন রাঙ্গামাটি–বান্দরবান ৩০ দিনে চলছে বিশ বছর ধরে চলে আসছে, আরো ত্রিশ বছর চলবে। পক্ষান্তরে টুয়েন্টি ষ্টার মালিক বলেন, সড়কগুলি কি মালিক সমিতির কতিপয় “ক্যাসিনোর” দখলে চলে গেছে। এসব কথা বলার উক্তেজিত হয়ে সভাস্থল থেকে চলে যায়, পরে এসে নিজের ভুল বুঝতে পেরে সকলের কাছে ক্ষমা চান শ্রমিক নেতা আলম।
জানা গেছে,পাহাড়িকা মানউন্নয়নের নামে বল্লি মার্কা বাস রং করে নামানো হয়েছে। বাসগুলোর নং- একজায়গার বডি অন্যস্থানে লাইন হচ্ছে চট্টগ্রাম-রাঙ্গমাটি সড়ক। লাইনে ভর্তি হতে ৫-৬ লাখ মালিক সমিতির কাছে জমা করতে হবে। অথবা পুরানো বাস ক্রয় করে লাইন নিতে হয়। বল্লী মার্কা যাত্রী বাস রাঙ্গামাটি সড়কে চলার উপযুক্ত নয় বলে জানিয়েছে বিআরটিএ। প্রায় তিনযুগ ধরে চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মোটর মালিক ও শ্রমিকের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। বর্তমানে পাহাড়িকা মান-উন্নয়নের নামে ভাল বাসগুলো রোডেশন বাতিল করে ঢাকার দুরপাল্লার পুরানো বল্লি মার্কা বাস ভর্তি করা হচ্ছে। এসি ও নতুন বাস সার্ভিস আপতত চালু হচ্ছে না।
এই প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মোটর মালিক সমিতির মনোনীত সভাপতি সৈয়দ হোসেন বলেন, আমরা চেষ্টা করছি মান সম্মত বাস সার্ভিস চালু করতে। তবে কোন আইনগতভাবে নিটল টাটা বাস বাতিল করতে পারি না। আমরা রোডেশন পরির্বতন করেছি। যে সব নতুন ছোট গাড়ী নিটল টাটা সেইসব বাস দ্রুতযানসহ অন্যান্যা রোডে চলাচল করতে পারবে।
বাস টার্মিনাল ব্যবহার প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি কার্যকারী সভাপতি মঈন উদ্দীন সেলিম বলেন, অবৈধ দখলদার অবাধে মাদক ব্যবহার করার কারণে বাস রাখার পরিবেশ নেই। প্রশাসন বাস টার্মিনালে সুষ্টপরিবেশ সৃষ্টি করলে আমরা অবশ্যই যাব।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকার দুর পাল্লার যাত্রীবাহি বাসগুলোর ১০/১২ বছর চলাচলের পর চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি বাস মালিক সমিতির কতিপয় সদস্যরা ক্রয় নিয়ে আসে এবং পাহাড়িকা নাম দিয়ে ৪২ সিট করে এই সড়কে চলাচল করে। নিটল টাটা বাস অত্যান্ত সুন্দর মান সম্মত এতদিন চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়কে চলাচল বর্তমানে মালিক-শ্রমিকদের একগুয়েমীর কারণে চলতে দিচ্ছে না। এসব নিটল টাটার বাসগুলো ফিটনেস, রেজিঃ, রোড পারমিট বিআরটিসি কর্তৃপক্ষ নিয়মিত নবায়ন করে আসছে।