রাঙ্গামাটির মগবানে ৭২টি পরিবারের ভিজিএফের চাল বিতরণ করলেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন ইসলাম

388

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙ্গামাটিঃ-রাঙ্গামাটি জেলায় কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরা বন্ধকালীন সময়ে কাপ্তাই হ্রদের উপর নির্ভরশীল রাঙ্গামাটি সদর উপজেলাধীন ২নং মগবান ইউনিয়ন পরিষদের ৯টি ওয়ার্ডে ১০ কেজি করে ৭শত ২০ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান হিসেবে ২য় পর্যায়ে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (৭ জুলাই) সকালে শহরের তবলছড়ির মগবান ইউনিয়নের অস্থায়ী কার্যালয়ে এসব অসহায় মৎস্যজীবি পরিবারের মাঝে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভিজিএফ চাল বিতরণ করেন, সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন ইসলাম।
এসময় মগবান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পুষ্প রঞ্জন চাকমা, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আব্দুর রসিদ এবং মগবান ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের মেম্বারসহ উপকারভোগীগণ উপস্থিত ছিলেন।
ভিজিএফের চাল বিতরণকালে সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন ইসলাম বলেন, কাপ্তাই হ্রদে মাছের প্রজনন ও মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সরকার প্রতি বছর ১লা মে হতে পরবর্তী তিন মাস পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদে সকল প্রকার মৎস্য শিকার, আহরণ ও বিপনন সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। আর এই তিন মাস বেকার হয়ে পড়া মৎস্যজীবিরা যাতে কষ্ট ভোগ না করে এই জন্য সরকার নিবন্ধনকৃত সকল মৎস্যজীবী সদস্যদের খাদ্য সহায়তা হিসেবে ভিজিএফ দিয়ে যাচ্ছেন। তাই সকল জেলে এই সময়টাতে নদীতে না নামতে ও মাছ না ধরতে অনুরোধ জানান তিনি।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম জলাধার রাঙ্গামাটির কাপ্তাই লেক। প্রতি বছর ১মে থেকে ৩১জুলাই পর্যন্ত তিন মাস মাছের বংশ বিস্তার ও প্রাকৃতিক প্রজনন বাড়াতে কাপ্তাই লেকে মাছ ধরা বন্ধ রাখা হয়। সব ধরনের মাছ ধরা, বাজারজাতকরণ এবং পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে থাকে বিএফডিসি। এছাড়া কাপ্তাই লেকে নৌ-পুলিশের সহায়তায় বিএফডিসির নিয়মিত টহল অভিযান অব্যাহত রয়েছে।