জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা আমাদের অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে শিখিয়েছে : দীপেন দেওয়ান এমপি

46

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা আমাদের অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে শিখিয়েছে। এই চেতনাকে ধারণ করে পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি, সম্প্রীতি ও সামগ্রিক উন্নয়নকে তরান্বিত করতে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাঙ্গামাটি সংসদ সদস্য ও সাবেক পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি।
বুধবার (৫ আগষ্ট) সকালে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই চেতনায় গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব, পিপিএম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ মোবারক হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমীন, অতিরিক্ত জেলা নিশাত শারমিন, রাঙ্গামাটি সিভিল সার্জন ডাঃ নুয়েন খীসা, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম ভূট্টো, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুন, রাঙ্গামাটি জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোহাম্মদ আহমদ আলীম, জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ শাহিদুল ইসলাম খান প্রমুখ।
রাঙ্গামাটি সংসদ সদস্য ও সাবেক পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি আরো বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশের ইতিহাসে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। তবে দারিদ্র্য মুক্ত, দুর্নীতি ও অপশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রেখে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে জুলাইয়ের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, একটি বৈষম্যহীন, স্বচ্ছ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে তরুণ সমাজ ও সর্বস্তরের জনগণের জুলাই চেতনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বাংলাদেশ গড়ার এই যাত্রায় ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে সামনে রেখে সবাইকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে।
রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব, পিপিএম বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সমাজে শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা পার্বত্য অঞ্চলের সকল জনগোষ্ঠীর সহাবস্থান নিশ্চিত করে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার দৃঢ় ব্যক্ত করেন। পরে জুলাই আহত যোদ্ধাদের সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।