॥ ডেস্ক রিপোর্ট ॥
দেশের পাহাড় ও সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের কৃষি-ব্যবসা ও বেতন আয়কর মুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বর্তমানে পাহাড় ও সমতল জেলায় পরিচালিত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে অর্জিত আয়ের করমুক্ত সুবিধার পাশাপাশি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বেতনের আয়ও করমুক্ত করার সুপারিশ করেন।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে সমাপনী বক্তব্য প্রদানকালে তিনি অন্যান্য বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে শুল্ক এবং কর কমানোর প্রস্তাব পুনর্বিবেচনা করার জন্য অর্থমন্ত্রীর কাছে অনুরোধও জানিয়েছেন। এদিন সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
এই সময় পার্বত্য ও সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কর সুবিধা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে পার্বত্য জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নির্দিষ্ট কিছু আয়ের ওপর কর অব্যাহতির প্রস্তাব রয়েছে। এটি আরও সম্প্রসারণ করে পাহাড়ি ও সমতলের সব ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ব্যবসা, কৃষি এবং বেতনভিত্তিক আয়ও করমুক্ত করা উচিত।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনগোষ্ঠী বসবাস করে। তাই সুবিধাটি শুধু পার্বত্য অঞ্চলে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়।”
দেশের শিক্ষা ও কর্মসংস্থান খাতের উন্নয়নেও প্রধানমন্ত্রী বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পেশ করেন। বর্তমানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর প্রযোজ্য ১০ শতাংশ কর হ্রাস করে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন। তবে একই সঙ্গে এসব বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদার করা, শিক্ষার্থীদের বহু ভাষায় পারদর্শী করতে ল্যাংগুয়েজ ল্যাব স্থাপন এবং গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। এ সময় সংসদে সরকারি ও বিরোধীদলের সদস্যরা টেবিল চাপড়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবকে অভিনন্দন জানান।
