॥ রাজস্থলী প্রতিনিধি ॥
ভালোবাসার টানে চীন থেকে রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলীতে ছুটে এসেছেন চীনা নাগরিক এক্সলা (৩৮)। প্রিয়তমা খইসিংপ্রু মারমা(৩০) বিয়ে করে নতুন জীবন শুরু করে।
বুহস্পতিবার (২৫ জুন) রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী ১নং ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের মহাজন পাড়ার মংমিঅং মারমার মেয়ে খইসিংপ্রু প্রেমের টানে ছুটে আসেন এক্সলা। তিনি চীনের প্রদেশের নাগরিক।
এদিকে চীনা যুবকের আগমনের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। বিদেশি নাগরিককে এক নজর দেখতে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ খইসিংপ্রু মারমা এর বাড়িতে ভিড় করে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ওয়ার্ল্ড টক’-এর মাধ্যমে উভয়ের পরিচয় হয়। প্রথমে বন্ধুত্ব, পরে সেই সম্পর্ক প্রেমে রূপ নেয়। দীর্ঘ ৩ বছর আগে তাদের বিবাহ হয়। বিবাহের পর খইসিংপ্রু চীনে চলে যান। তারা বর্তমানে চীনে বসবাস করে। তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কণ্যা সন্তান রয়েছে।বিবাহের পর এ প্রথম বারের মত তারা দুর্গম পার্বত্য রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলায় মহাজন পাড়ায় নিজ বাড়ীতে বেড়াতে আসেন।
এক্সলা বলেন, ‘আমি খইসিংপ্রুকে ভালোবাসি। তাকে বিয়ে করে সুখে-শান্তিতে সংসার করে আসছি। বাংলাদেশে এসে তার পরিবারের কাছ থেকে অনেক ভালোবাসা পেয়েছি।
মারমা যুবতি খইসিংপ্রু বলেন, ‘অনলাইনে পরিচয়ের পর ধীরে ধীরে আমাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আমরা দুইজন সিদ্ধান্ত নিয়েছি একসাথে থাকব। আমি কখনও কল্পনা করিনি, ও এদেশে আসবে। আমি চাই তাকে নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করে থাকি।
পরিবারের সদস্যরা জানান, আমার মেয়ের পচন্দ হয়ে চীনা যুবককে বিবাহ করেছে। আমাদের কোন আপত্তি নেই। তারা সুখে তাকলে আমি সুখি।
রাজস্থলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদ হোসেন বলেন, ‘চীনা নাগরিক, উভয়ে দেখা করেছে। চীনা নাগরিক তার একটি পাসপোর্ট প্রদর্শন করেছেন। চীনা যুবক এখন ওই মেয়ের বাড়িতেই আছে।’
