॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে। এছাড়া বর্ধিত পাঁচদিনের আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে।
শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় এবং ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এদিকে রাঙ্গামাটিতে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত থেকে হালকা বৃষ্টিপাত হলেও শুক্রবার (১২ জুন) সকাল থেকে হালকা ও মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে বিকেলের দিকে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এতে গরমের কিছুটা স্বস্তি মিলে মানুষের।
এদিকে বৃষ্টিপাত না হওয়া কাপ্তাই হ্রদের পানি স্বল্পতার কারণে কাপ্তাইয়ে অবস্থিত কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে (কপাবিকে) ৫টি ইউনিটের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে ২টি ইউনিট হতে। এখনো বন্ধ রয়েছে ৩টি ইউনিট। আর এই ২ ইউনিট হতে শুধুমাত্র ৫৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। অথচ এই কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট হতে সর্বোচ্চ ২ শত ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। আর হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ায় কাপ্তাই হ্রদের পানি বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। কয়েকদিন ভারী বৃষ্টিপাত হলে কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি পাবে। এতে করে কাপ্তাই কাপ্তাইয়ে অবস্থিত কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে (কপাবিকে) বন্ধ থাকা ইউনিটগুলো সচল হলে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়বে বলে মনে করছেন কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দে সংশ্লিষ্টরা।
অন্যদিকে, কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর কমে যাওয়ায় শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনই নয়, হ্রদনির্ভর মানুষের দুর্ভোগও বাড়ছে। বিশেষ করে বিলাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি, লংগদু ও বাঘাইছড়ি উপজেলার নৌপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হ্রদের বিভিন্ন স্থানে চর জেগে ওঠায় নৌযান চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং স্থানীয়দের চলাচলে ভোগান্তি বাড়ছে তেমনী ব্যবসা-বাণিজ্যে মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। আর হালকা থেকে মাঝারী বৃষ্টিপাতের কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি পেলে এইসব উপজেলায় নৌপথে লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক হবে। এতে মানুষের দূর্ভোগ অনেকাংশে কমে আসবে।
