রাঙ্গামাটি কাপ্তাই বড়াদম সড়কে দিবালোকে সশস্ত্র মহড়ার যুবকরা কারা? স্থানীয়দের মনে উদ্বেগ

46

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙ্গামাটিঃ-রাঙ্গামাটি সদর উপজেলাধীন আসামবস্তির কাপ্তাই সড়কের বড়াদাম এলাকায় পুলিশের সামনে দিন দুপুরে একটি আঞ্চলিক দলের সন্ত্রাসী গ্রুপের সশস্ত্র মহড়া দেওয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকার সাধারণ মানুষের মনে বিরূপ সৃষ্টি হয়েছে।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে আসামবস্তির কাপ্তাই সড়কের বড়াদাম এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে পুলিশের সামনে একটি আঞ্চলিক সন্ত্রাসী গ্রুপের সশস্ত্র মহড়া দিয়ে কিছু দুরত্ব বজায় রেখে হেঁটে হেঁটে চলে যেতে দেখা গেছে। তবে এসময় সড়ক এলাকার কাউকে দেখা যায়নি। আর তারা কোন আঞ্চলিক দলের সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল তা কেউ স্বীকার করছে না।
স্থানীয় ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা দেখেছেন তারা জানান, তারা সর্বমোট ৬জন ছিলো। তাদের কোমনে ও হাতে একে-৪৭ এর মতো ভারী মারনাস্ত্র দেখা গেছে। কারো কারো গায়ে ছিলো শাট, গেঞ্জি, ফুল প্যান্ট, হাফ প্যান্ট আর মাথায় ফিলো গামছা বাঁধা অবস্থায়। আরেকজনকে দেখা যায় হাফ প্যান্ট কোমনে একটি ব্যাগ ঝুলানো ও কালো ছাতা। তারা তাদের দূরত্ব বজায় রেখে সবাই বড়াদম এলাকায় চলে যেতে দেখা গেছে।
এব্যাপারে রাঙ্গামাটির নবাগত পুলিশ সুপার মীর আবু তৌহিদ জানান, ব্যাপারটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এব্যাপারটি নিয়ে আমরা কাজ করছি।
এদিকে, রাঙ্গামাটি সদর উপজেলাধীন আসামবস্তির কাপ্তাই সড়কের বড়াদাম এলাকায় পুলিশের উপস্থিতিতে সশস্ত্র মহড়া ঘটনায় চার সংগঠনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের সভাপতি অংগ্য মারমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘের সভানেত্রী কণিকা দেওয়ান, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি সুনয়ন চাকমা ও হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সভানেত্রী নীতি চাকমা সংবাদ মাধ্যমে দেয়া এক যুক্ত বিবৃতিতে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে তারা অবিলম্বে পুলিশের সামনে প্রকাশ্য সশস্ত্র মহড়ায় অংশ নেয়া সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে পূর্ণ গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।