সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাহাড়ের সাংবাদিকতার বাতিঘর এ কে এম মকছুদ আহমেদকে একুশে পদক প্রদানের দাবী

395

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙ্গামাটিঃ-পার্বত্য চট্টগ্রামের সাংবাদিকতা বাতিঘর একেএম মকছুদ আহমদকে একুশে পদক প্রদানের দাবী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জোড়ালো হচ্ছে। পাহাড়ের এই মানুষটি সাংবাদিক সৃষ্টির পাশাপাশি পাহাড়ের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে প্রতিটি ক্ষেত্রে তার অবদান কম নয়। একই সঙ্গে পিছিয়ে থাকা এলাকা ও এলাকার জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এখনো করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর শুভাকাঙ্খীরা এই কথা তুলে ধরেন। তার এই অসামান্য অবদানে একুশে পদক প্রাপ্তি দাবী করা যেতে পারে বলে অনেকেই সহমত প্রকাশ করেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
পার্বত্য অঞ্চলের সর্বপ্রথম অনলাইন নিউজ সিএইচটিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক ও রাঙ্গামাটির প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এস,এম শামসুল আলম পাহাড়ের এই সংসপ্তক দৈনিক গিরিদর্পণ সম্পাদক আলহাজ্ব এ,কে,এম মকছুদ আহমেদের পক্ষে একুশে পদক প্রাপ্তির বিষয়ে সহমত প্রকাশ করে সরকারের কাছে দাবী জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পাহাড়ের এই মানুষটি সাংবাদিক সৃষ্টির পাশাপাশি পাহাড়ের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রতিটি ক্ষেত্রে তার অবদান ছিলো লক্ষ্য করার মতো। তিনি নিরলস ভাবে মানুষের কল্যাণে নিবেদীত ছিলেন এবং তার লেখনির মাধ্যমে তুলে ধরে ছিলেন মানুষের জীবন-জীবিক, সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্নাসহ পার্বত্য অঞ্চলের পিছিয়ে থাকা মানুষদের কথা।
পার্বত্য অঞ্চলের অনলাইন সাংবাদিকতার এক উদীয়মান সম্পাদক নির্মল বড়ুয়া তার লেখনীতে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সাংবাদিকতা বাতিঘর একেএম মকছুদ আহমদকে একুশে পদক প্রদান করার দাবি বর্তমান সরকারের প্রতি একটি আহ্বান, পার্বত্য চট্টগ্রামের সাংবাদিকতার বাতিঘর, সাপ্তাহিক বনভূমি ও দৈনিক গিরিদর্পণ পত্রিকার সম্পাদক একেএম মকছুদ আহমদকে একুশে পদক প্রদান করার দাবি জানাচ্ছি। মকছুদ আহমদ একটি পিছিয়ে থাকা জনপদে সুদীর্ঘ সময় ধরে একটি সাপ্তাহিক ও একটি দৈনিক পত্রিকার প্রকাশনা অব্যাহত রেখেছেন। একই সঙ্গে পিছিয়ে থাকা এলাকা ও এলাকার জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এখনো করছেন। মকছুদ আহমদ সম্পর্কে এতো ছোট পরিসরে সব কিছু লিখে শেষ করা সম্ভব নয়। তাই সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি আহ্বান জানাই পার্বত্য সাংবাদিকতার প্রতিকৃত মকছুদ আহমদকে একুশে পদক প্রদান করে প্রান্তিক এলাকার সম্পাদকের পুরস্কৃত করলে পুরো পার্বত্য এলাকার সাংবাদিক সমাজকে সম্মানিত করা হবে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের সাংবাদিক জগতের নক্ষত্র, কবি, সাহিত্যিক ও চারণ সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমেদ ১৯৭৮ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রথম সাপ্তাহিক বনভূমি ও পরে দৈনিক গিরিদর্পণ পত্রিকা প্রকাশ করেন। তিনি পার্বত্য অঞ্চলের লেখকদের জন্য রাঙ্গামাটি প্রকাশনী নামে একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তিতে যার অবদান স্বরণ করার মতো। পার্বত্য শান্তি প্রক্রিয়ায় অবদানের জন্য দক্ষিন এশিয়া সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ, ঢাকা কর্তৃক মাদার তেরেসা শান্তি পদক ও ভারতের উত্তর বঙ্গের নাট্য জগৎ পত্রিকার পক্ষ থেকে সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য পার্বত্য অঞ্চলের প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা বনভূমি ও দৈনিক গিরিদর্পণ পত্রিকার সম্পাদক একেএম মকছুদ আহমেদকে সম্মাননা প্রদান করে। ১৯৯৭ স্বাক্ষরিত পার্বত্য শান্তি চুক্তির ১৯ বছর বর্ষ পূর্তিতে সাংবাদিকতায় একেএম মকছুদ আহমেদকে সম্মাননা পুরস্কার এবং একুশে পদক প্রদান করা প্রয়োজন বলে মনে করি। মকছুদ ভাইয়ের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ জীবন কামনা করছি।
এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাহাড়ের এই মানুষটিকে একুশে পদক দিতে অনেকেই সমহত প্রকাশ করো তারা অনেকেই অনেক মন্তব্য করেছেন। তারা তাদের সহমতের যে কথাগুলো তুলে ধরেছেন আমরা তা হুবহু প্রকাশ করছি।
ইউনুস মিয়া নামে একজন তার লেখনীতে একুশে পদকের প্রাপ্তির বিষয়ে সহমত জানিয়ে বলেন, আমার সাথে মাকসুদ ভাই ও বাবু সুনীল দে’র সাথে পরিচয় সেই ১৯৮১ সালে। তাঁরা পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির আদর্শিক মানুষ। দুজনেই “কলম যোদ্ধা” হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তবে সুনীল ভাই এখনো বেঁচে আছেন কিনা (?), তা জানিনা। মাকসুদ ভাইকে নিয়ে এ স্ট্যাটাস দেয়ার জন্য মোস্তফা নঈমে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
আরেকজন তার আইডিতে পাহাড়ের এই সংসপ্তক দৈনিক গিরিদর্পণ সম্পাদক আলহাজ্ব এ,কে,এম মকছুদ আহমেদের পক্ষে লিখে একুশে পদক প্রদানের জন্য দাবী জনিয়েছেন।
চট্টগ্রামের একজন প্রবীন সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি পাহাড়ের এই সংসপ্তক দৈনিক গিরিদর্পণ সম্পাদক আলহাজ্ব এ,কে,এম মকছুদ আহমেদের পক্ষে লিখে একুশে পদক প্রদানের জন্য সহমত প্রকাশ করেছেন।
বান্দরবান পার্বত্য জেলার তরুন উদীয়মান সাংবাদিক খগেশপতি চন্দ্র খোকন পাহাড়ের এই সংসপ্তক দৈনিক গিরিদর্পণ সম্পাদক আলহাজ্ব এ,কে,এম মকছুদ আহমেদের পক্ষে লিখে একুশে পদক প্রদানের জন্য সহমত প্রকাশ করেন।
কাজী ফেরদৌস নামে একজন তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একই মহান সাংবাদিকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সরকারের দুটি পদকের মধ্যে একুশে পদক প্রদানের জন্য জোর দাবী জানিয়ে বলেন, এই পদকের জন্য জোরালো তদবির ছাড়া হবে না বলে মন্তব্য করেন।
রাঙ্গামাটির একজন প্রবীন ব্যক্তিত্ব বোরহান উদ্দিন তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেন, চারন সাংবাদিক আলহাজ্ব মাকছুদ ভাইকে জাতীয় পর্যায়ে তার অবদানকে মুল্যায়ন করা উচিত, শুভ কামনা রইল শুভ জন্মদিনে, আল্লাহ মাকছুদ ভাইকে হায়াতে তৈয়বা দান করুন, আমিন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এস এম নাজির হোসেন তার আইডিতে বলেন, পাহাড়ের এই সংসপ্তক দৈনিক গিরিদর্পণ সম্পাদক আলহাজ্ব এ,কে,এম মকছুদ আহমেদের পক্ষে লিখে একুশে পদক প্রদানের জন্য দাবীর প্রতি সহমত প্রকাশ করেন।
অপর একজন মহসিন কাজী তার আইডিতে দৈনিক গিরিদর্পন সম্পাদক পাহাড়ের চারণ সাংবাদিক এ,কে,এম মকছুদ আহমেদকে একুশে পদক প্রদানের দাবীতে সহমত প্রকাশ করেন।
আলী আদনান তার আইডিতে বলেন, এটি একটি সুন্দর প্রস্তাব। পাহাড়ের এই সংসপ্তক দৈনিক গিরিদর্পণ সম্পাদক আলহাজ্ব এ,কে,এম মকছুদ আহমেদের পক্ষে লিখে একুশে পদক প্রাপ্তি খুবই জরুরী।
বিশ^জিৎ পাল নামে এক জন তার আইডিতে বলেন, পাহাড়ের এই কৃতি মানুষটার জন্য অনেকের ভালোবাসা ও আন্তরিকতা রয়েছে। তার একুশে পদক প্রদান সরকারের জন্য একটি দায়িত্ব বলে তিনি মনে করেন।
অরতিময় নন্দী নামে একজন তার আইডিতে পাহাড়ের এই সংসপ্তক দৈনিক গিরিদর্পণ সম্পাদক আলহাজ্ব এ,কে,এম মকছুদ আহমেদের পক্ষে লিখে একুশে পদক প্রাপ্তির পক্ষে সহমত প্রকাশ করেছে। এছাড়াও আরো অসংখ্য মানুষ তার একুশে পদক পাওয়ার জন্য সহমত প্রকাশ করেছেন।