রাবিপ্রবি ভাইস চ্যান্সেলর ও শিক্ষকদের ভিয়েতনামে অনুষ্ঠিত ফরসু প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালা

32

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
ভিয়েতনামের থাই নগুয়েন কৃষি ও বনবিদ্যা বিশ্ববিদ্যালয় এ বিগত ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামে বনভূমি পুনরুদ্ধার এবং টেকসই জীবিকা (ফরসু) শীর্ষক প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালায় রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেছেন।
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আতিয়ার রহমান, ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. নিখিল চাকমা, সহকারী অধ্যাপক সাদ্দাম হোসেন এবং ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সপ্তর্ষি চাকমা অংশগ্রহণ করেন।
তিন বছর মেয়াদী ফরসু শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের বনভূমি পুনরুদ্ধার ও টেকসই জীবিকা অন্বেষণের জন্য গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এ প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালা-বাংলাদেশ, ফিনল্যান্ড, জার্মানি এবং ভিয়েতনামের সকল প্রকল্প অংশীদারদের অংশগ্রহণে উদ্বোধন করা হয় এবং কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রাবিপ্রবি), পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ফ্রেইবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়, হেলসিঙ্কি বিশ্ববিদ্যালয়, হিউ বিশ্ববিদ্যালয়, থাই নগুয়েন কৃষি ও বনবিদ্যা বিশ্ববিদ্যালয়।
ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরসু শীর্ষক প্রকল্পের সমন্বয়ক দীপজয় চাকমা সকালের অধিবেশনের কর্মসূচি তুলে ধরেন এবং প্রকল্পের চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরির জন্য অংশগ্রহণকারীদের দুটি দলে বিভক্ত করেন। ফ্রেইবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশী অংশীদারদের সহায়তা প্রদান করে, অপরদিকে হেলসিংকি বিশ্ববিদ্যালয় ভিয়েতনামী অংশীদারদের প্রকল্প ফলাফল কাঠামোর আলোকে প্রতিবেদন তৈরি এবং মূল অর্জনগুলো পর্যালোচনায় সহায়তা প্রদান করে। দলগতভাবে আলোচনা ও পর্যালোচনার পরবর্তীতে, হেলসিংকি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প ব্যবস্থাপনা দলের অধ্যাপক এডওয়ার্ড ওয়েভ ফরসু শীর্ষক প্রকল্পের ফলাফল কাঠামো উপস্থাপন করেন এবং ২০২৬ সালের এপ্রিলের মধ্যে চূড়ান্ত প্রকল্প প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা দিয়ে আলোচনা করেন।
কর্মশালার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারীরা থাই নিগুয়েন ক্লাইমেট লার্নিং সেন্টার পরিদর্শন করেন, যেখানে তারা বন পুনরুদ্ধার, বাঁশ বাগান, ঔষধি গাছ এবং বাড়ির বাগান উন্নয়নসহ বিভিন্ন জলবায়ু সহনশীল উদ্যোগ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এছাড়াও অংশগ্রহণকারীরা পর্যটনের জন্য ফ্লেমিংগো নামে পরিচিত একটি কৃত্রিম হ্রদ ও রিসোর্ট এবং একটি জৈব চা বাগানও পরিদর্শন করেন। বিশ্ববিখ্যাত পর্যটন গ্রাম থাই হাই গ্রামের বিশ্বখ্যাত পর্যটন গ্রাম পরিদর্শনের মাধ্যমে এই ফিল্ড ট্যুর সম্পন্ন হয়।