রাঙ্গামাটি পৌর এলাকায় নাগরিক সেবা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন-জুঁই চাকমা

31

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণতন্ত্র মঞ্চের সমর্থিত বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির মনোনীত রাঙ্গামাটি-২৯৯ আসনে সংসদ সদস্য প্রতিদ্বন্দ্বী একমাত্র নারী প্রার্থি জুঁই চাকমা নির্বাচনী প্রচারণার ১৭তম দিনে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারী) সকালে রাঙ্গামাটি পৌর এলাকার কলেজ গেইট, কল্যাণপুর, রাজবাড়ি ও বৃহত্তর বনরুপা এলাকায় নির্বাচনী ইশতেহার বিতরণ ও জনসংযোগ করেন।
এসময় জুঁই চাকমার নির্বাচন পরিচালনা কমিটর সদস্য সচিব পলাশ চাকমা, সদস্য মঈন উদ্দিন, সাইমুন ইসলাম, অরুনজিতা চাকমা, সাইফুল ইসলাম,জুঁই চাকমার নির্বাচনী মূখ্য এজেন্ট নির্মল বড়ুয়া মিলনসহ স্থানীয় জুঁই চাকমার শুভাকাঙ্খী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনী ইশতেহার বিতরণ ও জনসংযোগের সময় জুঁই চাকমা বলেন, রাঙ্গামাটি পৌর এলাকায় নাগরিক সেবা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। রাঙ্গামাটি পৌরসভা হচ্ছে যে একটি প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা, কিন্তু নাগরিকরা সেভাবে সুযোগ-সুবিধা পায় না।
তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, শহরে ফুটপাতগুলো বেদখল হয়ে আছে, কোথাও নির্দিষ্ট করে ট্যাক্স বা সিএনজি অটোরিক্সা রাখার জন্য নির্ধারিত স্থান নাই। এ কারণে যার যার ইচ্ছামত যত্রতত্র গাড়িগুলো রাস্তার উপর রেখে যানজট সৃষ্টি করে রাখেন, রাঙ্গামাটি শহরকে পর্যটন নগরীতে রূপ দিতে হলে এখানে দরকার পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোকে নিয়ে সমন্বয় সাধন করা। আমি রাঙ্গামাটি পৌর কর্তৃপক্ষকে একটি পরামর্শ দিতে চাই, উনারা যেন উনাদের পরিচ্ছন্ন কর্মীদেরকে দিয়ে দিনের বেলায় ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার না করে রাতের বেলায় যাতে ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করেন।
রাঙ্গামাটি পৌরসভা নাগরিকরা ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে যাতে দেখে যে তাদের শহর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে গেছে ঝকঝক করছে। রাতের বেলায় রাঙ্গামাটি শহর হয়ে পড়ে গবাদি পশুর চলাচলের বিচরণ ক্ষেত্র এ জায়গায় রাঙ্গামাটি পৌরসভা কর্তৃপক্ষ আরো কঠিন উদ্যোগ নিয়ে আমাদের শহরকে সৌন্দর্য রাখার ক্ষেত্রে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
জুঁই চাকমা বলেন, ভোটাররা স্বাধীনভাবে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার পরিবেশ এখনো দেখা যাচ্ছেনা। ২০১৮ সালের মত ভোট হলে ২৪ এর গণঅভ্যর্থন এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সকল আয়োজন ব্যর্থ হবে।