॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা আঞ্চলিক সমস্যা নয়, এটি একটি জাতীয় সমস্যা। এই সমস্যা সমাধানে পরবর্তী সরকারকেই জাতীয় ভাবে আলোচনার মধ্যদিয়ে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছে সিপিডি’ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
তিনি আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে এমন একটি পরিস্থিতি বিরাজ করছে যার জন্য একটি জাতীয় সমাধান গুরত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয়। সকলের অধিকারের স্বীকৃতি দিয়ে স্থানীয় বৈশিষ্ট্যের প্রতি মনোযোগী থেকে একটি সমাধানের পথরেখা বের করতে হবে। এই সমাধানের পথরেখা নির্বাচনী ইশতেহারে রাজনীতিবিদদের প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। এজন্য ইশতেহার যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি নির্বাচনও গুরুত্বপূর্ণ।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাঙ্গামাটির স্থানীয় রেষ্টুরেন্ট বার্গি লেক ভ্যালি সম্মেলন কক্ষে ‘নব নির্বাচিত সরকারের কাছে আপনার প্রধান দাবি কি’ এই শিরোনামে এসজিডি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের প্রাক্-নির্বাচনী উদ্যোগ ‘আঞ্চলিক পরামর্শ সভা’ শেষে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আরো বলেন, বাংলাদেশ একটি দোলাচলের মধ্যে আছে। ভীতিমুক্ত ভোটার ও প্রভাবমুক্ত প্রশাসন এবং সক্ষম আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এসব এখনো দৃশ্যমান নয়। একই সাথে তফসিল পরবর্তি সময়ে সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সেনাবাহিনী তারা তাদের ভুমিকা পালন করবে তেমনটা প্রত্যাশা করে। তিনি আরো বলেন, ভু-রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিকাশ হচ্ছে এতে একাধিক দেশ সংশ্লিষ্ট হয়ে যাচ্ছে এই বিষয়টি নিরাপত্তা ও জাতীয় অখন্ডতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে আসছে।
আঞ্চলিক পরামর্শ সভায় শিক্ষক, আইনজীবি, প্রথাগত নেতা হেডম্যান কার্বারী, নারী অধিকারকর্মী, পরিবেশকর্মী, শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। সুষ্ঠু নির্বাচন, প্রয়োজনীয় সংস্কার, দুর্নীতির দমন, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিসহ নানা প্রসঙ্গে বক্তব্য দেন অংশগ্রহণকারীরা।
এসময় অংশগ্রহনকারীরা আগামীর নির্বাচিত সরকারের উদ্দেশ্যে নাগরিক ইশতেহার প্রণয়ণে ন্যায্য, সমতাভিত্তিক, জবাবদিহিতাপূর্ণ বাংলাদেশের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ও আকর্ষণীয় কর্মসূচির প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
