শাহ আলম, পাহাড়ের আলো ডট কম, রাঙামাটিঃ রাঙামাটিতে বনরুপা স্পোর্টিং ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত শীতকালীন শর্ট পিচ নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বনরুপা স্পোর্টিং ক্লাব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
সোমবার সন্ধায় রাঙামাটি পৌরসভা সংলগ্ন মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ৪৩ রানে সাউথ ফরেষ্ট কলোনী ক্লাবকে পরাজিত করেছে।
খেলায় প্রথমে ব্যাট করে বনরুপা স্পোর্টিং ক্লাব নির্ধারিত ১২ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১১৯ রান সংগ্রহ করে । জবাবে ফরেষ্ট কলোনী ক্লাব ১০ ওভারে ৭৬ রানে অল-আউট হয়।
বনরুপা স্পোর্টিং ক্লাবের ক্রিকেটার সীমান্ত ৩০ বলে ৬৮ রান অর্জন করে ম্যান অব দ্যা ম্যাচে জায়গা দখল করে নেয়। অন্যদিকে ম্যান অব দ্যা সিরিজ পুরস্কৃত হন তাোহিদ এবং টুর্নামেন্টে সেরা আম্পিয়ার নির্বাচিত হন মিশু ।
খেলা শেষে পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য হাজী মোহাম্মদ মুছা মাতাব্বর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। পুরস্কার বিতরণীর আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বনরুপা স্পোর্টিং ক্লাবের আহব্বায়ক মোঃ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাইফুল ইসলাম রুবেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে রাঙামাটি সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুজ্জামান মহসিন রোমান, পৌর প্যানেল মেয়র জামাল উদ্দিন, রাঙামাটি প্রতিভা ক্রিকেট ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পুলক বড়ুয়া, সভাপতি মোঃ বশির মৃধা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এসময় প্রধান অতিথি বলেন, বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে রাঙামাটি জেলা সব দিক দিয়ে এগিয়ে। অনেক রক্তের বিনিময়ে আমরা এদেশ স্বাধীন করেছি। মহান স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশে কোন জঙ্গি সন্ত্রাসীর স্থান নেই। রাঙামাটির মানুষ এখন জঙ্গিবাদ, মাদকসেবনকারী ও সন্ত্রাসীদের ঘৃণা করে। সমাজকে মাদক মুক্ত রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই।
রাঙামাটির মানুষ জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ভালবেসে পার্বত্য এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে স্বত-স্পুর্তভাবে নৌকায় ভোট দিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, রাঙামাটিতে অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় রয়েছে। পার্বত্য জেলা রাঙামাটির খেলোয়াড়রা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বর্তমানে জায়গা করে নিয়েছে। নিয়মিত খেলার আয়োজনের মাধ্যমে আরো প্রতিভান খেলোয়াড় রাঙামাটি থেকে বের করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরো জানান, ক্রীড়াঙ্গনে জেলার সুনাম ধরে রাখতে ক্রীড়াঙ্গনকে আরো বেশি উজ্জীবিত করতে হবে।
আলোচনা সভা শেষে আয়োজক কমিটির পক্ষথেকে চ্যাম্পিয়ন দলকে ৮ হাজার টাকার প্রাইজ বন্ড প্রদান করা হয়। রানার্স আপ টিমকে ৫ হাজার টাকার প্রাইজ বন্ড প্রদান করা হয়।

অন্যদিকে খেলায় ১৬টি অংশগ্রহণকারী টিমকে রাঙামাটি জেলা পরিষদের পক্ষথেকে ক্রীড়া সামগ্রী দেওয়ার ঘোষণা দেন। অপরদিকে চ্যাম্পিয়ন টিমকে ১০হাজার ও রানার্স আপ টিম কে ৫ হাজার টাকা ও আয়োজক কমিটিকে ১০হাজার টাকা প্রদান করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন মুছা মাতাব্বর ।
আয়োজক কমিটির পক্ষথেকে পৌর কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়।
