রাঙ্গামাটিঃ-পার্বত্য অঞ্চলে বন উজার করতে রাঙ্গামাটির সর্বত্র দিন দিন গড়ে উঠছে অবৈধ স’মিল। তারই আলোকে রাঙ্গামাটি জেলার জুরাছড়ি উপজেলার রাস্তা মাথা এলাকায় দুটি অবৈধ স’মিল গড়ে উঠেছে। যার কোন বৈধ কাগজ পত্র নেই। নিয়ম বর্হিভূত ভাবে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার ঘনফুট কাঠ চিড়াই করে রাঙ্গামাটি সহ বিভিন্ন স্থানে পাচার করার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া কাপ্তাই হ্রদের পাশে হওয়ায় হ্রদেও পানি নষ্ট হয়েছে কাঠের ভুষি ও গাছের গুড়িতে।
স্থানীয়রা বলেন, জুরাছড়ি উপজেলার ২ নং বনযোগী ছড়া ইউনিয়নের ১৩৬ নং এড়াইছড়ি মৌজার রাস্তার মাথা এলাকায় কামিনী রঞ্জন মেম্বার ও জমাধন চাকমার দুটি স’মিল স্থাপন করা হয়েছে। যার কোন অনুমোদন আজো তারা পায়নি। তারপরও এলাকায় এতো গুলো সমিল বসলে স’মিল বর্জ্রেও ফলে হ্রদের পানি যেমন নষ্ট হবে তেমনি বন উজাড় হবে বেশী বেশী।
এই জুরাছড়ি ও রাঙ্গামাটি জেলার কয়েকজন সচেতন মহল বলেন, প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রতিনিয়ত এই ভাবে স’মিল গড়ে উঠলে রাঙ্গামাটির বন ধ্বংস হয়ে যাবে। বন উজাড়ের মহোৎসবে স’মিল গুলো বড়ো বেশী ভ’মিকা রাখছে। প্রশাসন যদি এই অবৈধ স’মিল গুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে আগামী কিছু দিনের মধ্যে পাহাড় নেড়া হতে সময় লাগবে না।
এদিকে রাঙ্গামাটি দক্ষিণ বন বিভাগের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, যারা স’মিল বসিয়েছে তাদের অনুমতি দিলেই কাজ করতে পারবে। অনুমতি ছাড়া কেউ কাঠ চিড়াই করতে পারবে না। এছাড়া এলাকার কথা চিন্তা করে আমরা অনেক স’মিলকে অনুমোদন দিচ্ছি না। তারা যদি সঠিক নিয়ম মেনে স’মিল স্থাপন করতে পারে তাহলেই অনুমোদন পাবে। এছাড়া এ দুটি স’মিল সম্পর্কে আমাদেও জানা নেই।
![Pic-13-12-19-4[1]](https://paharer-alo.com/wp-content/uploads/2019/12/Pic-13-12-19-41.jpg)