রাঙ্গামাটি রিক্সাবিহীন পর্যটন শহরে ত্রিহুলার সিএনজি ও টুস্ট্রোক নৈরাজ্য

688

রাঙ্গামাটিঃ-রাঙ্গামাটি পর্যাটন শহরে ত্রিহুলার (সিএনজি ও টুস্ট্রোক) নৈরাজ্য দেখা দিয়েছে! দেশের একমাত্র রিকসাবিহীন শহর একটি মাত্র প্রধান সড়ক দিন রাত দীর্ঘক্ষন যানজট লেগে থাকে। রাঙ্গামাটি পৌর শহরে ধারণ ক্ষমতার তিনগুন সিএনজি ও টুস্ট্রোক সড়কের দুই পার্শ্বে পার্কিং অবস্থায় যানজটের মুল কারণ।
রাঙ্গামাটি বিআরটিএ সুত্রে জানা গেছে, বিআরটিএ রেজি. সিএনজি ৬৪০টি আবেদন করেছে আরো ৬৮১ টি। চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি রেজি. সিএনজি এবং রেজিষ্টেশন বিহীন সম্পুর্ণ টোকেন নির্ভর অবৈধ আরো পাঁচ শতাধিক সিএনজি ও টুস্ট্রোক রয়েছে। বৈধ-অবৈধ মিলিয়ে ১৮২১ টি হলে সড়কে কিন্ত প্রায় ২ হাজার অধিক সিএনজি চলাচল করছে।
রাঙ্গামাটি “নিরাপদ সড়ক চাই” সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ সোলায়মান বলেন, সড়ক নিরাপক্তা সংরক্ষকন নিয়ন্ত্রন বিধিমালা মানছে না।
সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও রাঙ্গামাটি অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ শহিদুজ্জমান রোমান প্রতিবেদককে বলেন, রাঙ্গামাটি শহরে আদিবাসী যান্ত্রিক কল্যান সমিতি ও অটোরিকসা শ্রমিক ইউনিয়নের অর্ন্তভুক্ত ব্যতীত চট্ট্রগ্রাম ও খাগড়াছড়ি সিএনজি ও অবৈধভাবে টুস্ট্রোক চলাচল করেছে। রাঙ্গামাটি দুইটি সংগঠনের সিএনজি চালকদের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে অতিরিক্ত সিএনজি বন্ধ করা হলে আমাদের কোন আপক্তি থাকবে না।
বিআরটিএ সার্কেলের ছিদ্দিকুর রহমান প্রতিবেদককে জানান, রেজিষ্ট্রেশন বিহীন অবৈধভাবে কতটি সিএনজি চলাচল করছে বিআরটি এর জানা নেই। অবৈধ সিএনজি চলাচলে জেলা প্রশাসকের নিষেধজ্ঞা থাকলেও মাঝে মধ্যে মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে অর্থদন্ড করা হয়। জেলা প্রশাসক সিএনজির যেই সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিলে আমরা কার্যকর করতে বদ্ধপরিকর।
রাঙ্গামাটি বিঅঅরটিএ সার্কেলের সহকারী পরিচালক এমডি শাহ আলম প্রতিবেদকে বলেন, জেলায় কত গাড়ী চলবে, তা নিধারণ করে নাই সরকার। জনসংখ্যার ওপর নির্ভর করে।
জেলা প্রশাসক আইন শৃংখলা সভায় রেজিষ্ট্রেশন বিহীন অবৈধ ত্রিহুলার (সিএনজি ও টুস্ট্রোক) মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছেন।