নানিয়ারচরে লেকের পাড়ে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা বন্ধের নির্দেশ দিলেন জেলা ও উপজেলা প্রশাসন

137

নানিয়ারচর প্রতিনিধিঃ-হাইকোর্টের নির্দেশে কাপ্তাই হ্রদের অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনাগুলোকে উঠিয়ে নিতে নানিয়ারচর উপজেলা জরুরী বার্তা জারি করেছেন। বুধবার (১ ফেব্রুয়ারী) পহেলা ফেব্রুয়ারি সকালে নানিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দা সাদিয়া নুরিয়া (ভারপ্রাপ্ত) দাড়িয়ে থেকে উপজেলা সদরের বিভিন্ন এলাকায় মাকিং করেছেন।
নানিয়ারচর চুনিলাল সেতু এলাকা থেকে লেকের আশে পাশের অবৈধভাবে স্থাপন দোকানপাঠ মালামাল সরিয়ে নেয়ার আদেশ দেয় উপজেলা প্রশাসন।
এছাড়া নানিয়ারচরে বিলবোর্ড স্থাপন করে জরুরী বার্তা দিয়েছে প্রশাসন-বোর্ডে সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগের নির্দিশনা দেয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ‘এতদ্বারা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগের দায়রকৃত রিট পিটিশন নং-১১৮৮৫/২০২২ এর বিগত ১৭/১০/২২ খ্রিষ্টাব্দের নোটিশের প্রেক্ষিতে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার অবস্থিত কাপ্তাই হ্রদের সকল প্রকার অবৈধ ভবন/স্থাপনা নির্মাণ নিষিদ্ধ করা হলো। এছাড়াও কাপ্তাই হ্রদের তীরে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের অভিযানের প্রক্রিয়া চলমান থাকবে বলে জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দি সাদিয়া নুরিয়া।
অন্যদিকে দেখাগেছে রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর চেঙ্গী নদীর জায়গা দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। এসব স্থাপনা গড়ে তোলা হয়, শুস্ক মৌসুমে হ্রদের পানি কমে গেলে ভেসে উঠা জায়গায় ভরাট করে পিলার ও গাছের খুঁটি গেড়ে কাঁচা স্থাপনা নির্মাণ করে থাকে। এছাড়াও বৈধ-অবৈধ জায়গার নিজ নিজ বাড়িঘরের সামনে পেছনে ব্যাপক হারে দখল করা হচ্ছে হ্রদের জায়গা। এসব দখলদারদের ত্যাগ করা ময়লা-আবর্জনা ও বর্জ্যে দূষিত হচ্ছে হ্রদের পানি ও আশেপাশের পারিপার্শ্বিক পরিবেশ। ভরাট হয়ে যাচ্ছে হ্রদের তলদেশ। ফলে কাপ্তাই হ্রদ ও পানি দিন দিন ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে সর্বাত্বক সহযোগিতা করছেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো: নুরজামাল হাওলাদার ও নানিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ সুজন হালদারসহ পুলিশ সদস্যরা।