দুর্গমতাকে জয় করে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে প্রথমবার ইতিহাস সৃষ্টি করলো বরকল উপজেলা

146

॥ ‎বরকল প্রতিনিধি ॥‎
‎সকল প্রতিকূল ও দুর্গমতাকে জয় করে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে প্রথমবারের মতো পুরস্কার জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করলো রাঙ্গামাটি জেলার দুর্গম বরকল উপজেলা। ফুটবল, ক্রিকেট, সাতার, দাবা, কাবাডি,ব্যাডমিন্টন, মার্শাল আর্টস ও অ্যাথলেটিক্স খেলায়, ১২-১৪ বছর বয়সী কিশোর কিশোরীদের সুপ্ত প্রতিভা অন্বেষণের লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে সারাদেশে একযোগে খেলোয়াড়দের নিবন্ধন চলে ২৪ই এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত। ২৫হতে ২৭ই এপ্রিল পর্যন্ত চলে উপজেলা পর্যায়ের দল গঠন। ২রা মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারাদেশে একযোগে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন করেন।
বরকল উপজেলায় ১১৬ জন বাছাইকৃত খেলোয়াড় নিয়ে ফুটবল, ক্রিকেট, সাতার, দাবা, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, মার্শাল আর্টস ও অ্যাথলেটিক্স এই ৮টি বিভাগে জেলা পর্যায়ে অংশগ্রহন করে। ২রা মে থেকে ১০মে পর্যন্ত চলে জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা। শত প্রতিকূলতাকে পেছনে ফেলে দলগত ও একক বিভাগ সহ মোট ১০টি পুরস্কার জিততে সক্ষম হয়েছে বরকল উপজেলা। পুরস্কার গুলো হলো, ফুটবলে পুরষ দল চ্যাম্পিয়ন ও মহিলা ফুটবল দল রানারআপ। কাবাডিতে, মহিলা কাবাডি দল চ্যাম্পিয়ন। মহিলা ব্যাডমিন্টনের এককে চ্যাম্পিয়ন হন ঠেগা খুব্বাং উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী পিপলী চাকমা। মহিলাদের ১শ মিটারের দৌড়ে চ্যাম্পিয়ন হন ঠেগা খুব্বাং উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী অনুসী চাকমা। মহিলাদের মুক্ত সাতার ও বুক সাঁতারে চ্যাম্পিয়ন হন বিলছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী সুপ্রিয়া চাকমা। মহিলাদের প্রজাপতি সাঁতারে চ্যাম্পিয়ন হন বিলছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী প্রাপ্তি চাকমা। পুরুষদের প্রজাপতি সাতারে রানারআপ ও বুক সাঁতারে তৃতীয় হন হাজাছড়া উচ্চ বিদ্যায়ের ছাত্র শ্রাবণ চাকমা।
অ্যাথলেটিক্স বিভাগের কোচ আশীষ চাকমাসহ অন্যান্য কোচের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পর্যাপ্ত খেলার মাঠ ও আনুষাঙ্গিক সুবিধা না থাকা সত্ত্বেও জেলা পর্যায়ে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। সঠিক দিক নির্দেশনা ও সুযোগ সুবিধা পেলে বরকল থেকে, ঋতুপর্ণা চাকমা, সুর কৃঞ্চ চাকমার মতো তারকা উঠে আসবে। যারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আগামীত বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে বলে আশা করে বরকলের সাধারণ মানুষ।