ত্রিপুরা জাতিগোষ্ঠিকে এগিয়ে নিতে হলে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া-শেফালিকা ত্রিপুরা

51

॥ খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ॥
পিছিয়ে পড়া ত্রিপুরা জাতিগোষ্ঠিকে এগিয়ে নিতে হলে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া বলে মন্তব্য করেছেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা তিনি বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে ত্রিপুরা কমিউনিটির উন্নয়নে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে। এতে করে তারা উন্নত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে করতে পারবে।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ‘ঐক্য-শিক্ষা-প্রগতি’ এই মূলনীতি ধারণ করে ত্রিপুরা স্টুডেন্টস ফোরাম, গুইমারা উপজেলা শাখার উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও একাদশ শ্রেণির পাঠ্যবই বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এইসব কথা বলেন।
গুইমারার সিন্দুকছড়ি সুকান্ত মহাজন পাড়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ত্রিপুরা স্টুডেন্টস ফোরাম বাংলাদেশ, গুইমারা উপজেলা শাখার সভাপতি খুমিতা ত্রিপুরা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিন্দুকছড়ি জোনের প্রতিনিধি টুআইসি মেজর মো. মাজহার হোসেন রাব্বানী, জেলা পরিষদের সদস্য প্রশান্ত কুমার ত্রিপুরা, জয়া ত্রিপুরা, অ্যাডভোকেট মঞ্জিলা ঝুমা, সাথোয়াই প্রু চৌধুরী এবং ১৯৯নং বাইল্যাছড়ি মৌজার হেডম্যান ত্রিদ্বীপ নারায়ণ ত্রিপুরা।
এ সময় শেফালিকা ত্রিপুরা আরও বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া কোনো সমাজই উন্নত হতে পারে না। ত্রিপুরা নারীরা আজ প্রশাসন, শিক্ষা, আইন, স্বাস্থ্য ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করছে। শিক্ষার মাধ্যমে এই অগ্রগতি আরও বিস্তৃত লাভ করবে। এর জন্য দরকার অভিভাবকরা আরো সচেতন হওয়া।
বক্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা, সুশাসন ও সামাজিক ঐক্য ত্রিপুরা জাতিকে পিছিয়ে পড়া অবস্থা থেকে উত্তরণের পথে এগিয়ে নেবে।
অনুষ্ঠানের শেষে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। আয়োজনটি ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের শিক্ষা-উন্নয়ন ব্যবস্থায় নতুন উদ্দীপনা সঞ্চার করেছে বলে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা মন্তব্য করেন।
আলোচনা সভা শেষে শিক্ষার্থীদের হাতে একাদশ শ্রেণির পাঠ্যবই তুলে দেওয়ার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।