॥ কাজী মোশাররফ হোসেন, কাপ্তাই ॥
পাহাড়ে এবছর জুম ধানের ফলন ভালো হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় কৃষক ও কৃষানীরা খুশি। কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গা, মিতিঙ্গাছড়ি, কামিলাছড়ি, কারিগর পাড়া, ভাল্লুকিয়াসহ কাপ্তাই উপজেলার পাহাড়ী অঞ্চলে জুমের ফলন ভালো হয়েছে বলে কৃষকরা জানান। তনচংগ্যা পাড়ার কৃষক সীতা তনচংগ্যা, রুপা তনচংগ্যাসহ একাধিক কৃষক জানান, এবার জুম ফসল অনেক ভালো হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকায় ফলন ভালো হয়েছে বলেও তাঁরা জানান।
রবিবার (২৩ নভেম্বর) সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, জমির অনেক জুন ধান ইতোমধ্যে কর্তন করা হয়েছে। যে পরিমান ফসল এখনো জমিতে রয়েছে তাও কর্তন চলছে। আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে সব জমির ধান কর্তন সম্পন্ন হবে বলেও কৃষকরা জানান। মাধুরী তনচংগ্যা বলেন তাদের পাড়ায় প্রায় এক হাজার একর জমিতে বিন্নি ধান রোপন করা হয়েছিল। ইতোমধ্যে প্রায় ৭০ ভাগ জমির ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। ধান কর্তনের পর জমিতে মাড়াই করে সেখানেই শুকানো হচ্ছে। এসব ধান মেশিনে চাল করে কাজারে বিক্রি করা হবে।
কাপ্তাই উপজেলা উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, পাহাড়ের জনগণ রোপন করা ধানকে বিভিন্ন নামে চিহ্নিত করেন। কিন্তু আমাদের বইয়ের ভাষায় রোপিত ধানের নাম হলো পরাঙ্গী, কালামানিক, ষাইট্রা, সুর্যমুখি, মাটিচাক, পড়খীরাজ, লক্ষীলতা, নরই, কটকি, কইয়াজুরি, বিন্নি ধান ইত্যাদি নাম উল্লেখ রয়েছে। পাহাড়ে এবার ফলন ভালো হবার কারন সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না হওয়ায় ফলন ভালো হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় কৃষক পরবিারে এবার স্বস্থির হাঁসি ফুটে উঠবে।
