বান্দরবানে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে অংশীদারদের সাথে সমন্বয় সভা

56

॥ রাহুল বড়ুয়া ছোটন, বান্দরবান ॥
বান্দরবানে পার্বত্য অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার মধ্যে কার্যকর ও যথাযথ সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের হলরুমে “পার্টনারশীপ ফর রেসিলিয়েন্ট লাইভলিহুডস্ ইন সিএইচটি রিজিওন (পিআরএলসি)” প্রকল্পের জেলা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহায়তা, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) এর কারিগরি সহায়তা এবং বিএনকেএস, গ্রাউস ও তহ্িজংডং এর বাস্তবায়নে বান্দরবান সদর, লামা ও থানচি উপজেলায় প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনকেএস এর কার্যনির্বাহী পরিষদের সভানেত্রী নেমকিম বম। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য এডভোকেট উবা থোয়াই মারমা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্য মো. নাছির উদ্দিন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা অভিজিৎ শীল, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ পরিচালক মিল্টন মুহুরী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক সুমন বসাক, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জুয়েল মজুমদার, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাইদুল ইসলাম এবং এমজেএফ-এর প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর নিখিল চাকমা, বিএনকেএস এর প্রকল্প সমন্বয়কারী পেশল চাকমা সহ প্রমুখ।
সভা পরিচালনা করেন বিএনকেএস এর প্রকল্প সমন্বয়কারী পেশল চাকমা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন তহ্িজংডং এর সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার স্বাগত ধর এবং প্রকল্পের অগ্রগতি উপস্থাপন করেন এমজেএফ-এর টেকনিক্যাল অফিসার কথিকা খিসা।
সভায় বক্তারা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি। প্রতি তিন মাস অন্তর অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রকল্পের অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ ও অর্জিত শিক্ষণ নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য এডভোকেট উবা থোয়াই মারমা বলেন, “দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে কাঙ্খিত সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ অপরিহার্য। শুধু জেলা পর্যায়েই নয়, মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের মধ্যেও সমন্বয় থাকতে হবে, তাহলেই প্রকল্পসমূহের আশাপ্রদ ফলাফল নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।”