॥ বান্দরবান প্রতিনিধি ॥
অধ্যক্ষের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আন্দোলন করেছে বান্দরবানের নার্সিং কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা। এর আগে ১৩ দফা দাবি আদায়ের কথা জানিয়েছিল অধ্যক্ষের কাছে শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধায় সাতটায় দিকে নার্সিং কলেজের ভিতরে বিক্ষোভ আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের সময় দুই পক্ষে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। তবে কোন শিক্ষার্থীর হতাহত হয়নি।
এদিকে নার্সিং কলেজে শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে না নেওয়ায় অধ্যক্ষ পদত্যাগের এক দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। দাবি মেনে না নেওয়ায় সন্ধ্যায় থেকে বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষকে নিজ রুমে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে অধ্যক্ষের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে শ্লোগান দিতে শুরু করে শিক্ষার্থীরা। পরে ঘটনাস্থলে প্রশাসন ও সেনাবাহিনী সদস্যরা এসে নিয়ন্ত্রণে আনেন।
জানা গেছে, গেল ২৭ তারিখ কলেজ অধ্যক্ষের কাছে ১৩ দফা দাবি-দাওয়া জানান শিক্ষার্থীরা। সেসব দাবিগুলো কলেজের অধ্যক্ষ মেনে না নেওয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে দুপুর থেকে দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পুরো নার্সিং কলেজ। এর আগেও দাবি নিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছিল কলেজে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীরা জানান, গেল দুই দিন আগে ১৩টি দাবি জানানো হয়েছিল অধ্যক্ষের কাছে। কিন্তু তিনি সেইসব দাবি-দাওয়া মেনে নেননি। তাই সন্ধায় থেকে পদত্যাগের একদফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু সেই সময় সিনিয়রদের সাথে জুনিয়রদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। আমাদের দাবি-দাওয়া মেনে না নিলে এক দফা অধ্যক্ষের অপসারণ নয় পদত্যাগ করতে হবে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক শাহ মোহাজিদ উদ্দিন জানান, সন্ধা থেকে নার্সিং কলেজে দাবি-দাওয়া ও অধ্যক্ষের অপসারণ দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করেছিল। পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিক্ষার্থীদের জন্য তিন তলা রুম খুলে দেওয়া হয়েছে। আর এ বিষয়ে পার্বত্য উপদেষ্টা সাথে কথা হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের যে দাবি সেটি মেনে নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
