॥ শিশির দাশ বাবলা ॥
রাঙ্গামাটিতে জনগণের নিকট মৎস্য অধিপ্তরের সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা বিষয়ক অংশীজন অংশগ্রহণে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টায় রাঙ্গামাটি জেলা মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে রাঙ্গামাটি জেলা মৎস্য দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
রাঙ্গামাটি জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা অধীর চন্দ্র দাশের সভাপতিত্বে অংশীজন অংশগ্রহণে সভা বক্তব্য রাখেন, রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন ইসলাম, নদী উপকেন্দ্র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইসতিয়াক হায়দার প্রমুখ। এছাড়া সভায় বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা মৎস্য কমকর্তা ও রাঙ্গামাটি জেলার মৎস্যচাষী, মৎস্যজীবি, কৃষিজীবিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং পার্বত্য বাস্তবতার নিরিখে মৎস্য আহরনের উপর যারা নির্ভরশীল তারা যেন স্ব-স্ব ক্ষেত্রে সঠিকভাবে জীবন যাপন করতে পারেন তার জন্য রাঙ্গামাটি মৎস্য অধিদপ্তর কাজ করছে। এক সময় মৎস্যজীবিরা কোন কিছু পেত না। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ১০ কেজি থেকে ৩০ কেজি পর্যন্ত চাল দেয়া হচ্ছে। এতে করে মৎস্যজীবি ও মৎস্যচাষীদের পরিবার উপকৃত হচ্ছে। আমরা চাই তারা যেন স্বচ্ছন্দ ও নিরাপদ থাকুক।
বক্তারা আরো বলেন, মৎস্যজীবিরা যাতে করে মাছের উৎপাতন বৃদ্ধি করতে পারে তার জন্য রাঙ্গামাটি মৎস্য অধিদপ্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আমরা যদি মৎস্য চাষীদের মাছ চাষে উদ্বুদ্ধ করতে পারি তা হলে মাছের উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। তাই কাপ্তাই হ্রদে যেসব মাছ বিলুপ্ত হয়ে গেছে সেইসব মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিকল্পে রাঙ্গামাটি মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে সভায় জানানো হয়।
