দেশের উন্নয়নের জন্য শান্তির কোনো বিকল্প নাই-পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি

40

রাহুল বড়ুয়া ছোটন, বান্দরবানঃ-বৌদ্ধ ধর্মালম্বী ভিক্ষুদের প্রাতিষ্টানিক ও ধর্মীয় শিক্ষা বৃদ্ধি, বুদ্ধের শাসন প্রতিষ্ঠাসহ নানা আয়োজনকে সামনে রেখে বান্দরবানে শুরু হয়েছে ২য় পার্বত্য বৌদ্ধ ভিক্ষু সম্মেলন।
২য় পার্বত্য বৌদ্ধ ভিক্ষু সম্মেলন উপলক্ষ্যে শুক্রবার (১৭ মার্চ) সকালে পার্বত্য বৌদ্ধ ভিক্ষু পরিষদ এর আয়োজনে বান্দরবানের রাজগুরু বৌদ্ধ বিহার থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টির সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটে গিয়ে শেষ হয়।
পরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টির সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাতীয় ও ধর্মীয় পতাকা উত্তোলন করেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। এসময় বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা, পার্বত্য ভিক্ষু পরিষদের সদস্য ও অংজেয়া জাদি বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত নাইন্দিয়া থের, পার্বত্য ভিক্ষু পরিষদের যুগ্ন সম্পাদক তিক্ষিন্দ্রিয় থের সহ তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারের ভিক্ষুরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টির সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট এর হলরুমে শুরু হয় বৌদ্ধ ভিক্ষু সম্মেলন। এসময় সম্মেলনে বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার প্রায় ৫শতাধিক বৌদ্ধ ভিক্ষু অংশ গ্রহণ করে।
এসময় পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেন, দেশের উন্নয়নের জন্য শান্তির কোনো বিকল্প নাই। তিনি বলেন, আজ পার্বত্য এলাকায় যে শান্তি বিরাজ করছে তার কৃতিত্ব আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার। পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি চুক্তির কারণে এখানকার মানুষ এখন নির্বিঘেœ চলাফেরা করছে এবং শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করতে পারছে।
মন্ত্রী বীর বাহাদুর আরও বলেন, দেশের উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। যারা দেশের কল্যাণ চায়, মঙ্গল চায় তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে আছেন এবং থাকবেন। তিনি বলেন, গৌতম বুদ্ধ শান্তির বার্তা দিয়েছিলেন আর সেই বার্তা আমাদের এখনও সকলের মাঝে প্রবাহমান। মন্ত্রী বলেন, গৌতম বুদ্ধের সুশাসন সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ুক এটা আমাদের কাম্য। গৌতম বুদ্ধের বাণী সামনে রেখে আমাদের এগিয়ে চলতে হবে।
আয়োজকেরা জানান, ২য় পার্বত্য বৌদ্ধ ভিক্ষু সম্মেলন উপলক্ষ্যে তিন দিনব্যাপী নানান আয়োজনে বিশ্বশান্তি কামনা, বুদ্ধ শাসন প্রতিষ্ঠা, শিক্ষা উন্নয়ন এবং বৌদ্ধ ভিক্ষুদের আরো অধিক জ্ঞান বৃদ্ধিতে নানা ধরণের কর্মসুচী বাস্তবায়িত হবে, আর ১৯ মার্চ সমাপনী দিনে সমাজ সেবা ও অন্যান্য অবদানকারীদের সম্মাননা সনদ প্রদানের মধ্যদিয়ে এই সম্মেলন শেষ হবে।