অনন্য সৃষ্টিশীল প্রতিভার অধিকারী তারুণ্যের দীপ্ত প্রতীক শহীদ শেখ কামাল-রণ বিক্রম ত্রিপুরা

5

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ-বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ খাগড়াছড়ি জেলা শাখা ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে স্বাধীনতার মহান স্থপতি সর্বকালের বাঙ্গালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেষ্ঠ্যপুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল, বিশেষ প্রার্থনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৫ আগস্ট) সকালে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে এ দোয়া মাহফিল, বিশেষ প্রার্থনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি রণ বিক্রম ত্রিপুরা।
এসময় তিনি বলেন, বহুমাত্রিক অনন্য সৃষ্টিশীল প্রতিভার অধিকারী তারুণ্যের দীপ্ত প্রতীক শহীদ শেখ কামাল। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বাড়ি থেকে বের হয়ে তিনি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম ওয়ার কোর্সে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়ে মুক্তিবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন ও মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল ওসমানির এডিসি হিসেবে দায়িত্বপালন করেন।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি কল্যাণ মিত্র বড়ুয়া, পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু, পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শানে আলম, এডভোকেট আশুতোষ চাকমা, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক চন্দন কুমার দে, উপ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ নুরুল আজম, জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নুরুল হোসেন চৌধুরী, যুব মহিল লীগের জেলা শাখার সভাপতি বিউটি রানী ত্রিপুরা, সাধারণ সম্পাদক বিলকিস আক্তার প্রমুখ। এছাড়াও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি উবিক মোহন ত্রিপুরা, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি টিকো চাকমাসহ জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার পর শেখ কামাল সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি নিয়ে লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করেন। শৈশব থেকে ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, বাস্কেটবলসহ বিভিন্ন খেলাধুলায় প্রচন্ড উৎসাহ ছিল তার। তিনি উপমহাদেশের অন্যতম সেরা ক্রীড়া সংগঠন, বাংলাদেশে আধুনিক ফুটবলের প্রবর্তক আবাহনী ক্রীড়াচক্রের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। শেখ কামাল দেশের নান্দনিক ফুটবল ও ক্রিকেটসহ অন্যান্য দেশীয় খেলার মানোন্নয়নে অক্লান্ত শ্রম দিয়ে অপরিসীম অবদান রেখেছিলেন। তিনি ছায়ানটের সেতার বাদন বিভাগের ছাত্র ছিলেন। বন্ধু শিল্পীদের নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন ‘স্পন্দন শিল্পী গোষ্ঠী’। শেখ কামাল ছিলেন ঢাকা থিয়েটারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। অভিনয় শিল্পী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যাঙ্গনে প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।