রাঙ্গামাটির ঝুলুক্কা পাহাড়ে সন্ত্রাসীদের অমানুষিক নির্যাতনের বিচার ও নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগীরা

16

মোঃ সোহরাওয়ার্দী সাব্বির, রাঙ্গামাটিঃ-রাঙ্গামাটি রিজার্ভ বাজার ঝুল্লুক্কা পাহাড়ে চিহ্নিত ভুমিদস্যু ও সন্ত্রাসী কর্তৃক সংখ্যালঘু পরিবারদের অমানুষিক নির্যাতন, শ্লীলতাহানি ভ্রুণহত্যার বিচার ও নিরাপত্তার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবাররা।
শুক্রবার (১২ মে) সকালে রাঙ্গামাটির স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে মো. রুবেল ( ৩৪), মো. হাসেম (৩৭) ও অসীম বড়ুয়া (৪৫) গং এই পর্যন্ত এলাকার ডজন খানিক নারী পুরুষকে শারীরিক নির্যাতনের মাধ্যমে চরম নাজেহাল করেছে অভিযোগ করে এই সংবাদ সম্মেলন করে রিজার্ভ বাজার ঝুল্লুক্কা পাহাড়ের ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নয়ন বড়ুয়া। এসময় রিজার্ভ বাজার ঝুল্লুক্কা পাহাড়ের ভুক্তভোগীর পরিবারের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রিপা বড়ুয়া, রুনু বড়ুয়া, চুমকি বড়ুয়া, সুনীল বড়ুয়া, আবু বড়ুয়া।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো লিখিত বক্তব্যে বলেন, প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় রাঙ্গামাটির রিজার্ভ বাজার ঝুল্লুক্যা পাহাড়ের মো. রুবেল (৩৪), মো. হাসেম (৩৭) ও অসীম বড়ুয়া (৪৫) এদের বিরুদ্ধে ভুমিদস্যু ও সন্ত্রাসীর অভিযোগ এনে সংখ্যালঘু নারী রিপা বড়ুয়া ও রুনু বড়ুয়া’র উপর অমানুষিক নির্যাতন, শ্লীলতাহানি, ভ্রুণহত্যার বিচার ও নিরাপত্তার দাবী জানান।
বক্তারা এসময় আরো অভিযোগ করে বলেন, ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী মোঃ রুবেল (৩৩), মোঃ হাশেম (৩৭) ও অসীম বড়ুয়া (৪৫) গং এই পর্যন্ত এলাকা ডজন ডজন নারী- পুরুষকে শারীরিক নির্যাতনের মাধ্যমে চরম নাজেহাল করেছে। তাদের সর্বশেষ নির্যাতনের শিকার রিপা বড়ুয়া (৩৪) ও রুনু রিপা বড়ুয়া (৫৫)। তাদের নির্যাতনে বৃদ্ধ রুনু বড়ুয়া এখন ঠিকভাবে চলতে ফিরতে অক্ষম। রিপা বড়ুয়া তাদের হাতে চরমভাবে নির্যাতনের শিকার হয়ে তার গর্ভজাত ভ্রুণ বাঁচাতে পারেনি। তাদের কাছে গর্ভবর্তী কোন মা পর্যন্ত নিরাপদ নয় তা তারা প্রমান করে দিয়েছে। এরা হলো, দেশের নব্য রাজাকার। যাদের হাতে মা-বোনও নিরাপদ নয়। রুবেল ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের অত্যাচার নির্যাতন থেকে রুবেলের জন্মদাতা পিতা, খালাও রেহায় পায়নি। রুলের গংরা সর্বশেষ ২৫-০৪-২০২২ইং তারিখে বিকেল ৩.৫০ মিনিটে আমরা কোন কিছু বোঝার আগেই আমাদের বসত ঘরের সামনে এসে আমাদেরকে ঘর ছেড়ে দিতে বলে। তাকে যে কেউ টাকা দিলেই সে পক্ষ নিয়ে উচ্ছেদ করে তাকে। সেই কারণে এলাকার মানুষ সবাই তার ভয়ে টঠস্থ থাকে। কারণ এলাকার চিহ্নিত প্রভাবশালী মাদক কারবারি ও এজন বির্তকিত জনপ্রতিনিধিসহ একাধিক প্রভাশালী নেতা তাকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে সহযোগিতা করে থাকে। বর্তমানে রুবেল বাহিনী ও প্রভাবশালীরা এখন আমাদের পরিবারের পুরুষ সদস্যহ অন্যান্যদের নারী নির্যাতন বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকী দিয়ে যাচ্ছে। তাই আমরা শুধু সংখ্যালঘু পরিবারের নারী সদস্য হিসেবেই নয়, নারী হিসেবে বিশ্ব মানবতার জননী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের প্রতি আমরা এই সন্ত্রাসী বাহিনীর কাছ থেকে নিরাপত্তা বিধানের জোর দাবী জানাচ্ছি। যাতে করে আমরা আমাদের ভিটেমাটিতে শান্তি ও নিরাপদে বসবাস করতে পারী।