দীঘিনালায় অস্ত্রসহ আটকের পর ইউপিডিএফ নেতার হৃদরোগে মৃত্যু

132

দীঘিনালা প্রতিনিধিঃ-খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলাধীন বাবুছড়ার বাঁশঢারা এলাকা থেকে অস্ত্রসহ ইউপিডিএফ সংগঠক মিলন চাকমা (৪৪) আটকের পর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) ভোরে আটকের পর সে অসুস্থ বোধ করলে প্রথমে দীঘিনালা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ১১টায় সেখানেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পেয়ার আহম্মেদ জানান।
নিরাপত্তাবাহিনী সূত্র জানায়, একাধিক মামলার পলাতক আসামী মিলন চাকমাকে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর টহল দলের হাতে আটক হয়। এ সময় তার বাসা থেকে তল্লাশি করে ১টি পিস্তল, ৪ রাউন্ড গুলি, ৩টি অবৈধ ওয়াকিটকি, আটটি মোবাইল, ১টি ল্যাপটপ ও ১টি পোর্টেবল জেনারেটরসহ গুরুত্বপূর্ন নথি উদ্ধার করা হয়। নিহত মিলন চাকমা দীর্ঘদিন যাবত চাঁদাবাজি, খুন ও অস্ত্র মামলার পলাতক আসামী এবং রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমের সাথে জড়িত এবং সে দীঘিনালা থানায় একাধিক মামলার আসামী বলে জানান নিরাপত্তাবাহিনী সূত্র।
মিলন চাকমাকে খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া বাঁশঢালা এলাকা থেকে যৌথবাহিনী আটকের পর অসুস্থ বোধ করলে দীঘিনালা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করার কথা জানান বলে সূত্র নিশ্চিত করে।
এদিকে, দীঘিনালায় সেনাবাহিনী কর্তৃক নির্যাতন চালিয়ে ইউপিডিএফ নেতাকে হত্যার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)-এর মুখপাত্র অংগ্য মারমা। বিবৃতিতে তিনি অবিলম্বে মিলন চাকমা হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার, ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনাশাসন প্রত্যাহারপূর্বক সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করা ও সকল প্রকার অন্যায় দমন-পীড়ন, খুন, গুম বন্ধের দাবি জানান।