বান্দরবানে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সনাতনধর্মাবলম্বীদের মহাসপ্তমী পূজা

66

রাহুল বড়ুয়া ছোটন, বান্দরবানঃ-সারাদেশের মত পার্বত্য জেলা বান্দরবানেও অনুষ্টিত হচ্ছে সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব। পঞ্চমী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই উৎসবের, যথাক্রমে বোধন আর ষষ্ঠী শেষে আজ চলছে মহাসপ্তমী পূজা।
মন্ডপে আধিষ্ঠিত দেবী দুর্গা, তার চরণতলে আয়না। আয়না দেবীর প্রতিবিম্ব এনে বিশেষ প্রক্রিয়ায় দেবীকে করানো হচ্ছে স্নান। স্নান শেষে দেবীকে নয়টি রূপে কল্পনা করা ও স্থাপন করা হয় নবপত্রিকা। উৎসবের এমন রূপে বান্দরবানের ৩০টি মন্ডপে চলছে মহাসপ্তমীর আনুষ্ঠানিকতা। নানা আচার অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে সকাল থেকে পূজামন্ডপগুলোতে চলছে সপ্তমী পূজা।
এদিকে করোনামুক্ত বিশ্ব আর জাগতিক সুখ শান্তি প্রত্যাশা ও মায়ের আর্শীবাদ নিতে মন্ডপে মন্ডপে ভীড় করছে পূজারী ও ভক্তরা। মায়ের উদ্দেশ্য ধূপকাটি আর মোমবাতি জ্বালিয়ে নিবেদন করছে প্রণাম। পূজামন্ডপগুলোতে কাসা, শংখ আর ঢোলের বাদ্যবাজনায় খুশি সনাতনী সমাজের নারী ও পুরুষেরা।
বান্দরবান জেলায় এবারে ৭উপজেলায় ৩০টি পূজা মন্ডপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে শারদীয়া দুর্গোৎসব। এর মধ্যে বান্দরবান সদরে ১০টি, রোয়াংছড়ি উপজেলায় ১টি, রুমা উপজেলায় ১টি, থানচি উপজেলায় ২টি, লামা উপজেলায় ৮টি, আলীকদম উপজেলায় ৫টি এবং নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় ৩টি পূজামন্ডপে শারদীয়া দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বান্দরবান কেন্দ্রীয় দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সৌরভ দাশ শেখর জানান, করোনার কারণে এবার বান্দরবানে সীমিত পরিসরে কেন্দ্রীয় মন্দিরে দুর্গাপূজা উদযাপন হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, পূজায় আগত দর্শনার্থীদের আমরা মুখে মাস্ক ব্যবহার ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পূজামন্ডপ পরিদর্শনের জন্য আহবান করছি।
১৫ অক্টোবর দশমী পূজার পর অঞ্জলি শেষে বিসর্জন হবে দেবী দুর্গার, আর এই বিসর্জনের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি হবে সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয়া দুর্গাপূজার।