মেডিকেল কলেজে চান্স পেলেন রাঙামাটির মেধাবী ছাত্র ইমন মুৎসূদ্দি

487

শাহ আলম, রাঙামাটিঃ ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে।

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস কোর্সের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় মেধাক্রমে মেরিট পজিশন ৩২৯৮তম ও মেরিট স্কোর ২৬৯.৫ হয়ে আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ (নোয়াখালী) এ ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন রাঙামাটি সদর উপজেলার মেধাবী ছাত্র ইমন মুৎসূদ্দি। তিনি চট্টগ্রাম কলেজ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষায় অংশ নেন।

ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে তিনি পেয়েছেন ৬৯.৫ নম্বর।

ইমন মুৎসূদ্দি রাঙামাটি শহরের রাণীদয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (২০১৭-১৮) শিক্ষাবর্ষে জিপিএ ৫ এবং চট্টগ্রাম বন্দর কলেজ (২০১৮-১৯) থেকে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। বিষয়টির সত্যতা জানিয়েছেন, তার মা রুপা মুৎসূদ্দি ও বড়বোন রেশমি মুৎসূদ্দি।

ইমনের বাড়ী রাঙামাটি সদর উপজেলার পৌর এলাকার আওতাধীন ০৮নং ওয়ার্ডের রাজদ্বীপ বড়ুয়া পাড়ায়।

ইমনের পরিবারের সংখ্যা ৪জন। তার বাবা রণজিৎ মুৎসূদ্দি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী (কুলিং কর্ণার) ও মা রুপা মুৎসূদ্দি একজন গৃহনী এবং বড়বোন রেশমি মুৎসূদ্দি চট্টগ্রাম কমার্স কলেজে মাস্টার্স (ম্যানেজমেন্ট বিভাগ) এ অধ্যয়নরত। পাশাপাশি তিনি চট্টগ্রামে একটি সুনামধন্য বেসরকারি হাসপাতালে ল্যাব সহকারী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই অভিনন্দনে ভাসছেন ইমন। অভিনন্দন জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে রাঙামাটি রাণীদয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রণতোষ মল্লিক অভিনন্দন জানিয়ে ইমনের সফরতা কামনা করেছেন। এছাড়াও বন্ধু-বান্ধবীসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষায় চান্স পেয়ে ভীষণ খুশি ইমন। তিনি বলেন, ইচ্ছে আছে ইঞ্জিনিয়ার হবো। ছোটবেলা থেকে স্বপ্ন দেখি। এখনো সুযোগ আছে। সামনে চুয়েট-ডুয়েট এ পরিক্ষা দিবো। মেডিকেল পরিক্ষা দিয়েছি। পরীক্ষা ভালো দিয়েছিলাম। ভালো ফল হবে তা জানতাম। সকলের দোয়ায় নোয়াখালীর আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছি। আমি দারুণ খুশি। মেডিকেল ভর্তি হবো। তিনি জানান, এমন ফলের পেছনে মা-বাবা সহ শিক্ষকদের অবদান সবচেয়ে বেশি। একজন ভালো ডাক্তার সমাজ ও দেশের অনেক কল্যাণ করতে পারে। আমি চিকিৎসক হয়ে দেশের জন্য, আর্তমানবতার জন্য কাজ করতে চাই। সবাই আমার জন্য দোয়া/আর্শিবাদ করবেন।

বাবা রণজিৎ মুৎসূদ্দি ও মাতা রুপা মুৎসূদ্দি ছেলের মেডিকেলে চান্স পাওয়ায় সৃষ্টিকর্তার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, আমাদের ছেলে ভবিষ্যতে একজন ভাল ডাক্তার হয়ে দেশ ও জনগণের সেবা করতে পারবে। তিনি সকলের কাছে ছেলের জন্য দোয়া ও আশির্বাদ কামনা করেছেন।

অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ইমনকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন তার শুভাকাঙ্ক্ষীরাসহ সমাজের নানা শ্রেণি-প্রেশার মানুষ।