ঝুলন দত্ত, কাপ্তাইঃ-মো: ওসমান (৫৫) দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী থানা ঘাটে খেয়া পার করেন। প্রতিদিন গড়ে আয় হতো ৫০০ টাকা। কিন্ত করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ফলে লোকজনের যাতায়াত কমে যাওয়ায় এখন দৈনিক গড় আয় হয় ১০০ থেকে ১৫০ টাকা।
শনিবার (১৬ মে) বিকেলে রাইখালী বাজার থানা ঘাট এলাকায় গিয়ে এই প্রতিবেদকের কথা হয় সাম্পান মাঝি মো: ফয়েজ, দোলন দে, মো: শফি, মিলন দে সহ অনেকের সাথে। তারা সকলে জানান, এই অবস্হায় চরম আর্থিক অনটনে দিন কাটছে তাদের। এই খেয়া ঘাটে সর্বমোট ৫৬ জন মাঝি প্রতিদিন সাম্পানে যাত্রী পারাপার করেন। তারা অনেকে সরকারি সহায়তা পান নেই। অনেকে অভিযোগ করেন, তাদের নাম তালিকা করে নেওয়া হয়েছে, কিন্ত তারা কোন সহায়তা পান নাই। এইছাড়া কাপ্তাই মিশন ঘাট, চিৎমরম বাজার ঘাট, চিৎমরম খিয়াং ঘাটসহ কাপ্তাইয়ের কর্নফুলি নদীতে ২ শতাধিক মাঝি খেয়া পার করে সংসার চালান। তারা সকলেই সরকারি সহায়তার দাবি জানান।
এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ২নং রাইখালী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এনামুল হক জানান, তার ইউনিয়নের আওতাধীন সকলে সরকারি সহায়তা পেয়েছেন।
এদিকে তাদের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহমেদ রাসেল জানান, ইতিমধ্য কেউ একবার আবার কেউ দুই বার ত্রান সহায়তা পেয়েছে। তিনি আরোও জানান, কেউ অভুক্ত থাকবে না। তাদেরকে আবারোও দেয়া হবে।
