আলীকদমঃ-বাংলাদেশে ক্ষুধা দারিদ্র আর গৃহহীন একটি পরিবারও থাকবেনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মশত বার্ষীকিকে সামনে রেখে বিভিন্ন কর্মসূচী হাতে নিয়েছে। এসব কর্মসূচী সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশ দুই হাজার একুশ সালের মধ্যে দারিদ্র ও ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ হবে এবং দুই হাজার একচল্লিশ সালের মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধশালী দেশে পরিনত হবে। সুতরাং যারা সরকারের ভিজিডি, ভিজিএফ ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন তারা এসব সুযোগ সুবিধাকে পুজি করে শ্রমের বিনিময়ে প্রত্যেকটি পরিবারকে সমৃদ্ধশালী হতে হবে।
বর্তমান সরকারের আমলে পার্বত্য চট্টগ্রামের আনাচে কানাচে রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎসহ নানা মূখী উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়িত হচ্ছে। এই ধারাবাহিকতাকে অব্যহত রাখতে হবে এবং নিজেকে সমৃদ্ধশালী করে তুলতে হবে।
শনিবার (৭ মার্চ) সকাল ১০ টায় আলীকদম আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের গাভী বিতরণ প্রকল্পের আওতায় হত দরিদ্র পরিবারের মাঝে গাভী বিতরণ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রানালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি।
এর আগে তিনি ওয়াইহ্লা কারবারী পাড়া বৌদ্ধ মন্দির ও নয়াপাড়া বাইতুল মাহমুদ মসজিদের নির্মান কাজের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন ও গৃহহীনদের জন্য নির্মিত সেমিপাকা ঘর হস্তান্তর করেন।
বান্দরবান জেলা প্রশাসক মোঃ দাউদুল ইসলাম এর সভাপতিত্ব এবং আলীকদম উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সমরঞ্জন বড়ুয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত গাভী বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের গাভী বিতরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও উপসচিব মোঃ হারুন অর রশিদ, আলীকদম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সায়েদ ইকবাল, ১নং আলীকদম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নাছির উদ্দিন, ২নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফেরদৌস রহমান, ৩নং নয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফোগ্য মার্মা, ও ৪নং কুরুক পাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্রাতপুং ম্রো প্রমূখ।
