রাঙ্গামাটিতে প্রথমবারের মতো প্রতিবন্ধী ও বাক প্রতিবন্ধীদের নিয়ে স্পেশাল অলিম্পিকস্ গেইম উদ্বোধন

508

রাঙ্গামাটিঃ-স্পেশাল অলিম্পিকস্ বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ও ব্যাবস্থাপনায় এই প্রথম বারের মতো রাঙ্গামাটিতে প্রতিবন্ধী ও বাক প্রতিবন্ধীদের নিয়ে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগীয় ট্যালেন্ট হান্ট ও প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে মারী ষ্টেডিয়ামে দিনব্যাপী প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ। এসময় স্পেশাল অলিম্পিকস্্ বাংলাদেশ এর কোষাধ্যক্ষ নুরুল আলম, স্পেশাল অলিম্পিকস বাংলাদেশ জাতীয় পরিচালক, ফারুকুল ইসলাম, সোয়াক ও স্পেশাল অলিম্পিকস্ বাংলাদেশ রাঙ্গামাটি সাব-চ্যাপ্টার সভাপতি সুবর্ণা চাকমা, রাঙ্গামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ সভাপতি এ্যাডভোটেক মামুনুর রশিদ মামুন, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজম, সোয়াক ও স্পেশাল অলিম্পিকস রাঙ্গামাটি সাব চ্যাপ্টার সেক্রেটারি কিংশুক চাকমা, , সোসাইটি ফর দি ওয়েলফেয়ার অব অটিস্টিক চিলড্রেন (সোয়াক) এর ডেপুটি ডাইরেক্টর মোঃ মফিজুল ইসলামসহ সোসাইটি ফর দি ওয়েলফেয়ার অব অটিস্টিক চিলড্রেন (সোয়াক) ও অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক একে এম মামুনুর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পদার্পন করেছি এবং উন্নত দেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের মামনীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি ঘোষণা হচ্ছে কাউকে পিছনে ফেলে রাখা যাবে না সকলকে সামনে এগিয়ে নিয়ে আমাদের দেশটা উন্নত দেশ হিসাবে পরিণত করবে। সেই হিসাবে আমাদের সমাজে যারা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী আছে তাদের সবাই উন্নয়নের স্রোতধারায় নিয়ে যেতে সরকার সকল ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং এই স্পেশাল অলিম্পিক এই যে আমাদের এই বুদ্ধি প্রতিবন্ধীদের জন্য আয়োজনের মাধ্যমে তাদেরকে সম্মান জনক অবস্থানে পৌছে দেওয়ার একটি মহৎ উদ্যোগ বলে আমি মনে করি। কিছুদিন পূর্বে আবুদাবিতে এই স্পেশাল অলিম্পিকে আমাদের বাংলাদেশের এই বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশুরা ২২টি স্বর্ণ, ১০ রুপা ও ৬টি ব্রঞ্চ পদক লাভ করেছে এবং আমাদের এই বাংলাদেশের ছেলে-মেয়েটা ১১টি ডিস্পিনে অংশ নিয়েছে। সেখানে সারা বিশ্বের ১৭০টি দেশের প্রায় সাতহাজার ক্রীড়ার ছেলে-মেয়েরা অংশগ্রহন করে। আর এতো গুলোদেশের মধ্যে আমাদের এদেশের এই বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশুরা ২২টি স্বর্ণ পদকের মাধ্যমে বিশ্বে আমাদের দেশকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। তাই আমি মনে করি এই জেলা পর্যায়ের থেকে জাতীয় পর্যায় এবং ভবিষ্যতে আবুদাবীর মত অন্য কোন দেশ থেকে আমাদের দেশের হয়ে স্বর্ণ, রুপা ও ব্রঞ্চ পদক অর্জন করে দেশকে বিশ্বের বুকে তুলে ধরতে পাড়বে বলে আমার বিশ্বাস।
স্পেশাল অলিম্পিকস্ গেইমে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ১১টি জেলা থেকে প্রায় শতাধিক প্রতিবন্ধী ও বাক প্রতিবন্ধী শিশুরা অংশগ্রহন করছে। খেলায় ১৩ জন ট্রেনার এটা পরিচালনা করছেন।